রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাকসু (কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ) নির্বাচন ঘিরে সরব হয়ে উঠেছে ছাত্রসংগঠনগুলো। শুরু হয়েছে সম্ভাব্য প্যানেল গঠনের তোড়জোড়। আবাসিক হলে চলছে প্রার্থীদের প্রচার কার্যক্রম।অন্যদিকে রাকসু ভবন থেকে স্থানচ্যুত হওয়ার শঙ্কায় পড়েছে সেখানে অবস্থানরত ১৫টি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। দীর্ঘদিন ধরে নাট্যচর্চা, বিতর্ক, সাংবাদিকতা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসা এসব সংগঠনের সামনে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।ভবনের বিকল্প ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছে সংগঠনগুলো। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভাষ্য, এ বিষয়ে একটি কমিটি কাজ করছে, এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।রাকসু নির্বাচনী তৎপরতায় ছাত্রদল, বাম ছাত্র জোট, ছাত্র অধিকার পরিষদ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, সাংবাদিক সংগঠন ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্যানেল সক্রিয় হতে শুরু করেছে।রাকসু ভবনে বর্তমানে যেসব সংগঠন রয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি (রুরু), সমকাল নাট্যচক্র, রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং ফোরাম, স্বনন, জাসাস, উদীচী, অনুশীলন, এডুকেশন ক্লাব, তীর্থক, রুডা, বিথিরা, অরনী, গণশিল্পী সংস্থা এবং অ্যাসোসিয়েশন ফর কালচার অ্যান্ড এডুকেশন।রুরুর সভাপতি সোহাগ আলী বলেন, ‘নির্বাচনের আগে যদি বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকে, তাহলে বড় ধরনের সংকটে পড়ব আমরা। শুধু আশ্বাসে কাজ হবে না।’কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক মিজান শেখ বলেন, ‘রাকসু নির্বাচন যেমন জরুরি, তেমনি এসব সংগঠনের নিয়মিত কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে। দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা দরকার।’অনেকে বিকল্প হিসেবে শহীদ সুখরঞ্জন সমাদ্দার ছাত্র-শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রকে (টিএসসিসি) ভাবলেও জায়গা সংকটে সেটিও অনিশ্চিত।টিএসসিসির ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. মুর্শিদা ফেরদৌস বলেন, ‘জায়গার সংকট আছে। ৫ আগস্টের পর সাংস্কৃতিক জোটসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বসা হবে। নতুন করে ভাবতে হবে।’বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. সালেহ্ হাসান নকীব বলেন, ‘সংগঠনগুলোর কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয়, সেদিকটা আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। একটি কমিটি কাজ করছে, সময় আছে, সমাধান হবে।’এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
