মাত্র ৬ রানের রোমাঞ্চকর জয়ে ওভাল টেস্ট জিতে ইংল্যান্ডের সঙ্গে ২–২ সমতায় সিরিজ শেষ করেছে ভারত। তীব্র নাটকীয়তায় ঠাসা পাঁচ ম্যাচের এই টেস্ট সিরিজের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত যা কেউই জয়ের নিশ্চয়তা দিতে পারেনি।ওভাল টেস্টের আগে সিরিজে ২–১ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল ইংল্যান্ড। শেষ ম্যাচ ড্র বা জিতলেই ট্রফি এককভাবে উঠতো বেন স্টোকসের হাতে। এজন্য দূরত্বও বেশি ছিল না। ওভাল টেস্টের শেষ দিনে জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল মাত্র ৩৫ রান, হাতে ছিল ৪ উইকেট। কিন্তু ভাগ্য লিখে রেখেছিল অন্য কিছু।ভারতীয় পেসার মোহাম্মদ সিরাজের আগুন ঝরানো বোলিংয়ে শেষ পর্যন্ত ৬ রানে ম্যাচ হেরেছে ইংলিশরা। এতে ট্রফি ভাগাভাগি করে নেয় ভারত। আর এতে বেজায় খুশি ভারতীয় অধিনায়ক শুভমন গিল। সিরিজের ফলাফলকে তিনি নায্যই বলছেন।ম্যাচ শেষে শুভমন গিল বলেন, ‘২-২ ফলাফলটা ন্যায্যই হয়েছে। এটি দেখায়, দুই দলই কতটা আবেগ নিয়ে খেলেছে এবং কী দারুণ ক্রিকেট খেলেছে। উভয় দলের খেলার ধরন ছিল দুর্দান্ত। শেষ দিনগুলো পর্যন্ত কেউই নিশ্চিত ছিল না ফলাফল কী হবে—এটাই প্রমাণ করে, দুই দলই নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স নিয়ে মাঠে নেমেছিল।’নিজের ব্যক্তিগত লক্ষ্য ও পারফরম্যান্স নিয়েও কথা বলেন গিল, ‘এই সিরিজে আমার লক্ষ্য ছিল সেরা ব্যাটসম্যান হওয়া, আর সেখানে পৌঁছাতে পারা খুবই তৃপ্তিদায়ক। সবসময়ই টেকনিক্যাল ও মানসিক দিক সামঞ্জস্য করার বিষয় থাকে, কারণ দুটো একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।’শেষ ছয় সপ্তাহের অভিজ্ঞতা গিলের মনেও গভীর দাগ কেটেছে। তার কণ্ঠে আত্মবিশ্বাস আর লড়াকু মানসিকতার ছাপ স্পষ্ট। গিল বলেন, ‘গত ছয় সপ্তাহে আমরা যা শিখেছি তা হলো, আমরা কখনো হার মানি না।’অন্যদিকে, ২-১ এ সিরিজে পিছিয়ে পড়ার পর রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি এবং রবিচন্দ্রন অশ্বিনের অনুপস্থিতি কীভাবে দলকে প্রভাবিত করেছে, তা তুলে ধরেছেন লোকেশ রাহুল। তিনি বলেন, ‘রোহিত, বিরাট, অশ্বিন—এই তিনজন না থাকাটা আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল, বিশেষ করে সিরিজ শুরুর দুই সপ্তাহ পর। সবাই আমার কাছে এসে ইংলিশ কন্ডিশন নিয়ে প্রশ্ন করছিল। তখনই বুঝলাম, আমি একেবারে নতুন এক ভূমিকায় প্রবেশ করেছি।’আরডি
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
