টেনিস কোর্টে একের পর এক ইতিহাস গড়েছেন ফরাসি তারকা নোভাক জোকোভিচ। টেনিসে সম্ভাব্য সকল ট্রফি জয়ের পর খুব শিগগিরই তিনি অবসর নেবেন-এমন ধারণা আছে অনেকের মধ্যেই। টেনিস কোর্টের এই কিংবদন্তী এবার নাম লিখিয়েছেন ফুটবলেও। অবসর-পরবর্তী সময়টা এবার ফুটবল ক্লাব পরিচালনার অভিজ্ঞতায় রাঙাতে চান ২৪টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিক। ফ্রান্সের দ্বিতীয় বিভাগের দল লে মানস এফসি-তে বিনিয়োগ করেছেন এই সার্ব তারকা।শুধু জোকোভিচ নন, তার সঙ্গে রয়েছেন আরও ক্রীড়াজগতের পরিচিত মুখ। সাবেক ফর্মুলা ওয়ান চালক ফেলিপে মাসা, কেভিন ম্যাগনুসেন, আর বেলারুশের টেনিস তারকা আরিনা সাবালাঙ্কার বয়ফ্রেন্ড ও উদ্যোক্তা জর্জিওস ফ্রাঙ্গুলিস—সবাই মিলে এক হয়ে ক্লাবটির শেয়ার কিনেছেন।ক্লাবটি এক বিবৃতিতে জোকোভিচের অংশীদার হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘নোভাকের মানসিক দৃঢ়তা এবং তার ক্রীড়া-দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের ক্লাবের উন্নয়নে মূল্যবান ভূমিকা রাখবে।’জানা গেছে, এই পুরো বিনিয়োগ-প্রক্রিয়ার নেতৃত্ব দিচ্ছে ব্রাজিলিয়ান ক্রীড়াবিষয়ক প্রতিষ্ঠান আউটফিল্ড। একটি আন্তর্জাতিক কনসোর্টিয়ামের অংশ হিসেবে কাজ করছে। লে মানসের নতুন অংশীদার ফ্রাঙ্গুলিস বলেছেন, ‘এই শহর এবং ক্লাবের ক্রীড়া ঐতিহ্যকে আরও বিস্তৃত করতে চাই। আন্তর্জাতিক ক্রীড়ামঞ্চে লে মানস একটি পরিচিত নাম।’অন্যদিকে ফেলিপে মাসা জানান, ‘ফুটবলের প্রতি আমার ভালোবাসা অনেক পুরোনো। এই আবেগ থেকেই লে মানসে যুক্ত হওয়া। তাছাড়া, এই ক্লাবের সঙ্গে মোটরস্পোর্টেরও ঐতিহাসিক সম্পর্ক আছে।’প্রসঙ্গত, ফ্রান্সের দ্বিতীয় বিভাগের এই ক্লাবটি এক সময়ে লিগ-ওয়ান খেলেছে। ২০০৪ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তারা নিয়মিত ছিল এই টুর্নামেন্টে। তবে ২০১৩ সালে তীব্র আর্থিক সংকটে পড়ে পেশাদার ফুটবল থেকে ছিটকে পড়ে তারা। এরপর থেকেই ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে আসছে ক্লাবটি। এখন নতুন মালিক ও বিনিয়োগের সাহায্যে আবারও শীর্ষ পর্যায়ে ফেরার স্বপ্ন দেখছে তারা।আরডি
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
