জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে প্রায় ৩ কি.মি. কাঁচা রাস্তার মধ্যে অর্ধেক রাস্তায় মাটি কেটে পুরো বিল উত্তোলনের অভিযোগ ও বাকী রাস্তা সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন এলাকাবাসী।বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) দুপুরে উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ধারাবর্ষা এলাকার পপুলার ব্রিজ হতে ধারাবর্ষা পূর্বপাড়া পর্যন্ত কাঁচা রাস্তা নিয়ে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি গ্রহণ করে এলাকাবাসী।এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের গ্রামীণ অবকাঠামো (কাবিখা/কাবিটা) প্রকল্পের ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের আওতায় কাঁচা রাস্তা সংস্কারের কর্মসূচি শুরু হয়। তার ধারাবাহিকতায় ধারাবর্ষা গ্রামের পপুলার ব্রিজ হতে ধারাবর্ষা পূর্বপাড়া পর্যন্ত প্রায় ৩ কি.মি. কাঁচা রাস্তার মাটি কাটার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয় ৪ লক্ষ ৭শত ৬২ টাকা। এদিকে প্রায় ১ কি.মি. রাস্তায় মাটিতে পুরো বিল উত্তোলন করে নেন প্রকল্পের সভাপতি (ইউপি সদস্য) মেরী আক্তার ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান। বাকী ২ কি.মি. রাস্তায় মাটি না কাটায় চলাচলের চরম দুর্ভোগে পড়েছেন গ্রামবাসী। পরে বৃহস্পতিবার সকালে কাদাযুক্ত রাস্তায় দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন গ্রামের শত শত নারী-পুরুষ। পরবর্তীতে মাটি ভরাটে অনিয়ম ও টাকা আত্মসাতের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এলাকাবাসী।বিক্ষোভ মিছিলে শেষে এলাকাবাসীর পক্ষে ‘নাছের উদ্দিন, সোহেল রানা, আনোয়ার, ইউসুফ, ফারুক, বিপুল, আমিন, মামুন, রিপন, রুবেল’ সহ অনেকেই বলেন, ‘বরাদ্দ আসলো ৪ লক্ষ টাকা এবং তারা মাটি কাটার পিছনে খরচ করলেন ২,০৩০০০ হাজার টাকা। রাস্তার সম্পূর্ণ কাজ না করেই বিল তুলে নিয়েছে সভাপতি/সম্পাদক। আমরা এলাকাবাসী এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। এখন রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করার দাবি করেন তারা।’এ ঘটনায় প্রকল্পের সভাপতি অভিযুক্ত মেরী আক্তার বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে সেটা মিথ্যা। যতটুকু রাস্তা কাজ করার কথা, ততটুকুই করে বিল নিয়েছি।’এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. শওকত জামিল বলেন, ‘এলাকাবাসীর অভিযোগের বিষয়টা শুনেছি। বিষয়টি খোঁজ নেওয়া হবে।’এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
