জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের টাংগাইল রাজিবদিয়ার এলাকার প্রায় ২ কি.মি. কাঁচা রাস্তা বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। স্থানীয় প্রতিনিধিদের নজরে পড়ছে না। চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে কয়েক গ্রামের শত শত মানুষের।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, টাংগাইল রাজিবদিয়ার এলাকার ঝিনাই নদীর পাড় বটতলা বিদ্যুতের দোকান থেকে চরবালিয়া খাসপাড় পর্যন্ত প্রায় ২ কি.মিটার কাঁচা রাস্তার ভয়াবহ অবস্থায় পরিণত হয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই ভাঙাচোরা কাঁচা রাস্তায় সৃষ্টি হয় কাঁদা। অটোরিকশা, ভ্যানগাড়ি ও মোটরসাইকেল তো দূরের কথা, রাস্তাটি দিয়ে পায়ে হাঁটাও দুষ্কর হয়ে ওঠে তখন। অবহেলিত এই গ্রামটিতে এ পর্যন্ত লাগেনি কোনো উন্নয়নের ছোঁয়া। এই রাস্তাটি দিয়ে চরবালিয়া, খাগুরিয়া, বড়-সড়া ও চরপাড়া গ্রামের শত শত মানুষ চলাচল করেন। বিগত ৬/৭ বছরের মধ্যে কোনো মাটি কাটা হয়নি এই রাস্তায়। ইতিপূর্বে জনপ্রতিনিধিরা অনেক আশ্বাস দিলেও নির্বাচিত হয়ে কেউ কোনো খবর রাখেন না এই গ্রামটিতে। চলমান বৃষ্টিতে এলাকাবাসী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অতিদ্রুত এই কাঁদাযুক্ত রাস্তাটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।রাস্তাটির বিষয়ে গ্রামের সাবেক মেম্বার মোস্তফা, আনিছ মিয়া, সবুজ মিয়া, শাকিল, মোফাজ্জল হোসেন, কাঠমিস্ত্রী জলিল, মনহর মিয়া, ফার্নিচার ব্যবসায়ী ফজল হক, স্বপন মাহমুদ, সিএনজি চালক রাসেল, অটোচালক রাঙ্গা সহ এলাকাবাসী অনেকেই জানান, ‘আমাদের গ্রামটি অবহেলিত। ডোয়াইল ইউনিয়নের অনেক রাস্তায় কাঁচা। তার মধ্যে আমাদের এই রাস্তাটি ভয়াবহ অবস্থায় পড়ে আছে। অসুস্থ রোগী, গর্ভবতী মা কিংবা কোনো প্রকার মালামাল বহন করে গাড়িতে নিয়ে আসা-যাওয়া করা খুব কষ্টকর। রাস্তাটি তাড়াতাড়ি মেরামত করা হলে অনেক উপকৃত হবো আমরা। এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে দাবি, ভাঙাচোরা কাঁচা রাস্তাটি চলমান সময়ের মধ্যেই সংস্কার হোক।’এলাকাবাসী আরো জানান, ‘রাস্তাটির পাশ দিয়েই অন্য ইউনিয়ন মহাদান ইউনিয়ন। মহাদানের শেষ সীমানা ও ডোয়াইল ইউনিয়নের শেষ সীমানায় এই রাস্তাটি। দুই ইউনিয়নের ঠেলাঠেলিতে কোনো উন্নয়ন হয় না এই রাস্তাটির। আমরা গ্রামবাসী এখন যাতায়াতের চরম দুর্ভোগের মধ্যে আছি। মাটি কেটে সংস্কার নয়, আমরা চাই রাস্তাটি পাকা করা হোক।’এ বিষয়ে ডোয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান মো. আফজাল হোসেন বলেন, ‘রাস্তাটির বিষয়ে উপজেলায় কথা বলবো। এখন তো আর কোনো প্রকল্প নেই। সামনের প্রকল্পে রাস্তাটির কাজ করা হবে।’এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. শওকত জামিল বলেন, ‘রাস্তাটির বিষয়ে জানতাম না। সামনের প্রকল্পে সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
