নবীগঞ্জে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অ্যাম্বুলেন্স চালক ফারুক মিয়া (৪০) হত্যায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। সেখানে সাংবাদিকসহ প্রায় ১৩৫ জনের নাম এজাহারে দিয়ে অজ্ঞাত ২-৩ হাজার আসামি উল্লেখ করে নিহতের স্ত্রী সালমা খাতুন শুক্রবার (১১ জুলাই) রাতে বাদী হয়ে মামলা করেন।মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন সাংবাদিক আশাহিদ আলী আশা, অলিউর রহমান অলি, মোঃ আলমগীর মিয়া, বাদল আহমেদ, এটিএম সালাম, নাবেদ মিয়া, সফিকুল ইসলাম নাহিদ, আনোয়ার হোসেন মিঠু, আলাল মিয়া। এছাড়াও রয়েছেন জহিরুল ইসলাম সোহেল, রাজ্জাক, মাহবুব আলম সুমন, সফিক মিয়া, নুরুল আমিন, সরোয়ার আহমেদ, উজ্জল মিয়া, সাকিব মিয়াসহ প্রায় ১৩৫ জন।মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ৭ জুলাই সংঘর্ষের ঘটনায় ফারুক মিয়া নিহত হন এবং আহত হন অন্তত কয়েক শতাধিক। এ বিষয়ে তার স্ত্রী বাদী হয়ে মামলা করেন।অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, প্রায় এক বছর আগে ইনাতগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আশাহিদ আলী আশা নবীগঞ্জ পৌর এলাকার পূর্ব তিমিরপুর গ্রামের খসরু মিয়াকে সৌদি আরব পাঠানোর কথা বলে এক লাখ টাকা নেন। কিন্তু সময়মতো বিদেশ পাঠাতে না পারায় খসরু মিয়া তার পাওনা টাকা ফেরত চেয়ে ফারুক মিয়াকে নিয়ে একাধিকবার তাগিদ দেন। টাকা না দিয়ে বরং আশাহিদ আলী আশা তাদের গালাগাল ও হুমকি দেন।গত ৩ জুলাই (বৃহস্পতিবার) বিকেলে নবীগঞ্জ শহরের লতিফ মার্কেটের সামনে পাওনা টাকা চাওয়া নিয়ে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে ৭ জুলাই (সোমবার) দুপুরে সংঘর্ষে জড়ায় উভয়পক্ষ। রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত হন অ্যাম্বুলেন্স চালক ফারুক মিয়া (৪০)। ঘটনার ৭ দিন পর নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে মামলাটি করেন।এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মো. কামরুজ্জামান জানান, ‘মামলা হয়েছে, আসামি ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।’এআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
