২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) প্রকাশিত হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৬৩ দশমিক ৬০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯ হাজার ৯০২ জন শিক্ষার্থী।ফলাফলে জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গিয়েছে ৬টি জেলা নিয়ে গঠিত কুমিল্লা বোর্ডে কুমিল্লা জেলার অবস্থান চতুর্থ। প্রথম স্থানে রয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ফেনী জেলা, তৃতীয় স্থানে রয়েছে লক্ষ্মীপুর জেলা, পঞ্চম ও ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে যথাক্রমে নোয়াখালী ও চাঁদপুর।জেলাভিত্তিক ফলাফলের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, প্রথম হওয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় ২৪৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২৩ হাজার ৪৭১ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পাশ করেছে ১৬ হাজার ২৫১ জন শিক্ষার্থী। এ জেলায় পাশের হার ৬৯ দশমিক ২৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৪৭৫ জন।দ্বিতীয় হওয়া ফেনী জেলায় ১৮৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ১৬ হাজার ৬৪২ জন শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে পাশ করেছে ১০ হাজার ৯৬৫ জন শিক্ষার্থী। এ জেলায় পাশের হার ৬৬ দশমিক ৬৯ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ১২৫ জন।তৃতীয় হওয়া লক্ষ্মীপুর জেলায় ১৭৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অংশগ্রহণ করেছে ১৫ হাজার ৭৬৩ জন শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে পাশ করেছে ১০ হাজার ৩৯৮ জন শিক্ষার্থী। এ জেলায় পাশের হার ৬৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯৫৬ জন।চতুর্থ হওয়া কুমিল্লা জেলায় ৬০২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৫৭ হাজার ৩৩১ জন শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে পাশ করেছে ৩৭ হাজার ৩০৮ জন। এ জেলায় পাশের হার ৬৫ দশমিক ০৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ২৮৫ জন। জিপিএ-৫ এর দিক দিয়ে কুমিল্লা জেলা সবার চেয়ে এগিয়ে রয়েছে।পঞ্চম হওয়া নোয়াখালী জেলায় ৩০২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ২৯ হাজার ৯১৬ জন। এদের মধ্যে পাশ করেছে ১৭ হাজার ৮৭৬ জন। এ জেলায় পাশের হার ৫৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৯৪ জন।ষষ্ঠ হওয়া চাঁদপুর জেলায় ২৮৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ২৪ হাজার ৬৪৯ জন। এদের মধ্যে পাশ করেছে ১৩ হাজার ৭৮৩ জন। এ জেলায় পাশের হার ৫৫ দশমিক ৯২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৬৫ জন।কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান শামছুল ইসলাম জানান, ফলাফলের দিক দিয়ে কুমিল্লা চতুর্থ হলেও জিপিএ-৫ এ কুমিল্লা বোর্ড এগিয়ে রয়েছে। এবার গণিত বিষয়ে ফলাফল খারাপ করার কারণে এর চাপ সমগ্র ফলাফলের উপর গিয়ে পড়েছে। আমরা স্কুল প্রধানদের সাথে বসে ফলাফল খারাপের কারণগুলো খুঁজে বের করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো।এসকে/এইচএ
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
