জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাঁদাময় ও ভাঙ্গাচোরা রাস্তা সংস্কার করে যাতায়াতের উপযোগী করা হয়েছে। সোমবার (০৭ জুলাই) সকালে থেকে দিনব্যাপী উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের নয়াপাড়া বটতলা মোড় হতে মুক্তিযোদ্ধা আলিম উদ্দিনের বাড়ী হয়ে ডোয়াইল বাজারের নাজিমের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ২ কি.মি. কাদাযুক্ত ভাঙ্গাচোরা এই রাস্তার মাটি ফেলে সংস্কার করা হয়।জেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদুল কবির তালুকদার শামীমের নির্দেশে ডোয়াইল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোশেদুল আলম মোর্শেদের নিজস্ব অর্থায়নে এ রাস্তাটি সংস্কার করা হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে এই রাস্তাটি একাধিকবার দাবি জানালেও কোন চেয়ারম্যান বা মেম্বার মেরামত বা সংস্কার করেনি। একটু বৃষ্টি হলেই পানিতে বিভিন্ন স্থানে কাঁদা হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায়। স্কুল-কলেজে ও হাট-বাজারে যাওয়ার মতো অবস্থা থাকে না। ডোয়াইল বাজার থেকে শুরু করে কৃষ্টপুর, ভবানীপুর, গোবিন্দপুর, হরখালি সহ প্রায় ৭/৮ গ্রামের মানুষ এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করেন। জনগুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটিতে বিগত সময়গুলোতে কোন সংস্কার করা হয়নি। এর ফলে দুর্ভোগ পোহাতে হয় বিভিন্ন গ্রামের শতশত মানুষের। পরে দুর্ভোগ লাঘবে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের নিজ অর্থায়নে ভেগু গাড়ি দিয়ে মাটি এনে রাস্তার কাদা ও ভাঙ্গাচোরা ঠিক করে চলাচলের উপযোগী করা হয়।এসময় উপস্থিত ছিলেন ডোয়াইল ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক জহুর উদ্দিন জহু, যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোশারফ হোসেন (মুসা), সাবেক মেম্বার সামছুল হক, ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি আলমগীর হোসেন ও মাটি কাটার সার্বিক দায়িত্বে থাকা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি লিটন মিয়া সহ আরো অনেকেই।রাস্তাটির বিষয়ে ঐ এলাকার সামাদ, নুরুল, আমির হোসেন, নুপুর আক্তার, রুবি বেগম সহ অনেকেই বলেন, বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি কাদায় পরিপূর্ণ হয়। চলাচলে একেবারে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ১৫ বছরের মধ্যে আমরা দেখিনি এই রাস্তায় মাটি কাটতে। চলমান সময়ে মাটিকাটার ফলে এখন অনেকটা চলাচলে উপযোগী হয়েছে। তবে শুধু মাটি কেটে সংস্কার নয়, সরকারের কাছে আমরা এই রাস্তাটি পাকা করার দাবি জানাই।এ বিষয়ে ডোয়াইল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোশেদুল আলম মোর্শেদ বলেন, এই ইউনিয়নে পাকা রাস্তার কম, কাঁচা রাস্তাই বেশি। নয়াপাড়ার রাস্তাটি করুন অবস্থায় ছিলো। মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে জেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম ভাইকে জানালে তার নির্দেশে আমার নিজস্ব অর্থায়নে অবহেলিত এই গ্রামের মানুষদের নিয়ে পুরো রাস্তাটি সংস্কার কাজ করা হচ্ছে।এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শওকত জামিল বলেন, ডোয়াইলের অনেক রাস্তায় প্রকল্প দেওয়া হয়েছে। ঐ রাস্তার বিষয়ে জানতে পারলাম। এলাকাবাসী আবেদন করলে আগামী প্রকল্পে ঐ রাস্তার সংস্কার কাজ করা হবে বলেও তিনি জানান।এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
