ব্রাজিলিয়ান তারকা ফুটবলার নেইমার জুনিয়রের জন্য ইনজুরি হয়ে উঠেছে নিত্য দিনের সঙ্গী। কাতার বিশ্বকাপের পর থেকে ইনজুরির কারণে ব্রাজিল জাতীয় দলে অনেকটাই অনিয়মিত এই ফুটবলার। সবশেষ ফিফার জুন উইন্ডোতেও ইনজুরির কারণে খেলতে পারেননি তিনি। এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে, ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপে তার থাকা না থাকা নিয়ে। অনেকই বলছেন ব্রাজিলের নতুন কোচ কার্লো আনচেলত্তির পরিকল্পনার বাইরে থাকবেন তিনি। অর্থাৎ ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে হয়তো নাও খেরতে পারেন নেইমার। এবার সেই প্রশ্নের উত্তর দিলেন খোদ নেইমার নিজেই।সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ৩৩ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড জানিয়েছে, যতদিন নিজের মতো পারফর্ম করতে পারবেন, ততদিন খেলবেন। সাক্ষাৎকারে স্ত্রী ব্রুনা বিয়ানকার্ডির প্রশ্নের জবাবে নেইমার বলেন,‘আমার ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাই আমাকে খেলা চালিয়ে যেতে প্রেরণা দেয়। প্রতিদিন অনুশীলনের ইচ্ছা, মাঠে নামার আকাঙ্ক্ষা আমাকে এগিয়ে নিয়ে যায়। ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা কখনো শেষ হবে না। যখন আর নিজের মতো পারফর্ম করতে পারব না, তখনই থামব।’নিজের লাইফস্টাইল নিয়ে প্রায়ই সমালোচনার মুখে পড়েন নেইমার। এই প্রসঙ্গে নেইমার বলেন, ‘যারা আমাকে চেনে না, তারাও আমার জীবন নিয়ে মন্তব্য করে। এটি দুঃখজনক। আমি চাই মানুষ মাঠে আমার পারফরম্যান্স দেখুক, জীবনের না জানা দিক নিয়ে নয়।’নিজেকে ঘিরে নানা আলোচনা-সমালোচনায় আত্মবিশ্বাস হারাননি নেইমার। তিনি বলেন, ‘আমি একজন ভালো মানুষ। আমি চাই মানুষ মাঠে আমার পারফরম্যান্সের দিকে বেশি গুরুত্ব দিক। আজকাল সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে একজন ক্রীড়াবিদ হিসেবে মনোযোগ পাওয়া কঠিন।’তিনি আরও যোগ করেন,‘অনেক সময় আমাকে এমনভাবে বিচার করা হয় যা দুঃখজনক। যারা আমাকে চেনে না, তারা আমার ও আমার পরিবারের জন্য আমি যে চেষ্টা করি তা জানে না। ইন্টারনেটে যা আসে, তার বিরুদ্ধে আমার দৃঢ় মানসিকতা রয়েছে। এসব আমাকে ক্ষতি করতে পারে না।’নেইমার বলেন,‘একদিন আমার ক্যারিয়ার শেষ হবে। ইতিহাসে আমার নাম থাকবে। সময়ের সঙ্গে নতুন প্রজন্ম আসবে,যাবে। যারা আমাকে চেনে, তারাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’গত বছর সৌদি ক্লাব আল হিলাল থেকে শৈশবের ক্লাব সান্তোসে পাড়ি জমান নেইমার। সান্তোসকে নিয়ে নেইমার বলেন,‘সান্তোস আমার বাড়ি, আমার শিকড়, আমার ইতিহাস। এখানে আমি সত্যিকারের সুখি। এখানেই আমি আমার বাকি স্বপ্নগুলো পূরণ করতে চাই।’২০২৬ বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে নেইমার বলেন,‘আমি পুরোপুরি নিজেকে উৎসর্গ করব।’আরডি
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
