গাজীপুরের কাশিমপুরে প্রায় ৫০ কোটি টাকার মূল্যের সরকারি ৮২ শতাংশ জমি জবর দখল হয়ে গেছে। আর এই দখল চলছে মহানগরীর কাশিমপুরের ১নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ পানিশাইল মৌজার পানিশাইল মোড়ে।অবৈধভাবে দখল হওয়া জমি সরকারের ১নং খাস খতিয়ানভুক্ত। দেখা যায়, ওই জমিতে মার্কেটে বিশ থেকে একুশটি দোকান নির্মাণ করা হয়েছে।এদিকে দখলের অভিযোগ রয়েছে পানিশাইল এলাকার হাকিম খানের ছেলে নাসির খান ও একই গ্রামের আয়নাল উদ্দিনের ছেলে মনির মিয়া, আফুর উদ্দিনের ছেলে মিঠু, রুহুল আমিনের ছেলে জসিম উদ্দিন ও রহম আলীর ছেলে ওয়াসিম এবং তমিজ খানের ছেলে ফজলু খানের বিরুদ্ধে।সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুরের দক্ষিণ পানিশাইল মৌজার ১নং খতিয়ানভুক্ত আরএস-২০৬ দাগে চালা জমি ২০ শতাংশ এবং ২০৭ নং দাগে পুকুরের জমি ৬২ শতাংশসহ মোট ৮২ শতাংশ সরকারি খাস জমি রয়েছে।প্রায় ৫০ কোটি টাকার মূল্যের এ জমিটি দীর্ঘ দিন যাবত জবর দখল হয়ে আছে। ওই জমিতে গড়ে উঠেছে বহু সংখ্যক দোকান ঘর, বাড়ি, মার্কেটসহ বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা। বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর ওই জমিতে সরকারি মালিকানার সাইনবোর্ড দেয়া হয়।তবে দখলকারীরা সাইনবোর্ড ফেলে নির্বিগ্নে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের নির্মাণ কাজ। খাস জমি দখল করে নির্মাণ করা হচ্ছে দোকান।সরকারি সম্পত্তির জবরদখল করে দোকান নির্মাণের বিষয়ে নাসির খানের সাথে কথা বললে তিনি জানান, দোকান নির্মাণ করার সময় ভূমি অফিসের পক্ষ থেকে কোন ধরনের বাধা প্রদান করা হয়নি। তবে সরকারি সম্পত্তি যদি সরকার নিয়ে যায়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে সব দোকানগুলো ভেঙে উচ্ছেদ করে দিতে বলেন। আর এ বিষয়ে আমার কোন আপত্তি নেই, এখানে মাত্র আমার ১টি দোকান রয়েছে।এবিষয়ে গাজীপুরের টঙ্গী রাজস্ব সার্কেল এর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ সাইদুজ্জামান হিমু জানান, সরকারি সম্পত্তি জবর দখলের কোন সুযোগ নেই। তবে কেউ যদি খাস জমিতে দোকান নির্মাণ করে থাকে, তাহলে অতি দ্রুত তদন্ত করে উচ্ছেদ অভিযানের মাধ্যমে সরকারি সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করা হবে বলে জানান তিনি।এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
