বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুমের বড়ইতলী ঝর্ণা দেখতে গিয়ে ঢলের পানিতে নিখোঁজ হওয়া ছাত্র মেহরাবের লাশ ৪ দিন পর রেজু ব্রীজ এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, মেহরাবের জেঠাতো ভাই সাজেদুল করিম।শুক্রবার (২০ জুন) দুপুর আড়াইটায় প্রত্যক্ষদর্শীদের ফোন পেয়ে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে নিশ্চিত হন এটি মেহরাবের লাশ। পরে লাশটি উদ্ধার করে বাড়িতে আনা হয়। বাদে আছর তাকে দাফন করা হয়।মেহরাবের মা ফরহানা বেগম বলেন,তার ছেলে কুরআনে হাফেজ। সে চট্টগ্রামের একটি মাদরাসায় দাখিল দশম শ্রেণিতে পড়ে।মেহরাবের জেঠাত ভাই সাজেদুর রহমান জানায়, মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে ১৮ জন বন্ধু উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের অতিদুর্গম ৯ নম্বর ওয়ার্ড পাহাড় বেষ্টিত বরইতলী ঝরনায় গোসলে নামে তারা। তখন প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছিল। গোসল সেরে দুপুর ১টার দিকে তারা বাড়ি ফিরে আসতে গিয়ে ধসে পড়া একটি পাহাড়ে দাঁড়িয়েছিল। সেখানে সে সহ ৩ বন্ধু পাহাড় ধসে তলিয়ে যাচ্ছিল। নিখোঁজ মেহরাব সহ কয়েকজন মিলে তাদেরকে উদ্ধার করে।তিনি আরো জানায়, ধসে পড়া পাহাড় থেকে দ্রুত সরে গিয়ে তারা সবাই বাড়ি ফেরার পথে ঝর্ণার পাশের ছড়া দিয়ে পার হওয়ার সময় ভেসে যায় মেহরাব। আমি অনেক চেষ্টা করেছিলাম মেহরাবকে বাঁচাতে। স্রোতের তীব্রতায় তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয় নি।নাইক্ষ্যংছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসরুরুল হক জানান, মঙ্গলবার (১৭ জুন) ছাত্র মেহরাব হোসাইন (১৮) নিঁখোজ হন ঘুমধুম বরইতলী ঝর্ণা এলাকায়। ঝর্ণার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া বড়ইতলী খালের পাহাড়ি ঢলের পানিতে তলিয়ে যায়। তার বাড়ি কক্সবাজারের উখিয়ার মরিচ্যায়।নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, তাকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের এক অভিজ্ঞ দলকে পাঠানো হয়, তারা গত বুধবার সারাদিন চেষ্ঠা করেও লাশ উদ্ধার করতে পারেনি, আজ উদ্ধার হয়েছে।পিএম
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
