রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের অমরপুর গ্রামে সোমবার দিবারাতে (১৬ জুন) চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনা ঘটেছে। ফাঁকা বাড়িতে জানালার গ্রিল কেটে চোরেরা ভেতরে প্রবেশ করে নগদ অর্থ, স্বর্ণালঙ্কার, দলিলপত্র ও ব্যাংকের চেকবইসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়।ভুক্তভোগী গৃহকর্তা মকলেছুর রহমান একজন শিক্ষক। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় বর্তমানে ঢাকায় চিকিৎসাধীন। তার দুই ছেলে চাকরির সুবাদে ঢাকায় থাকেন এবং একমাত্র মেয়ে বিবাহিত, গাজীপুরে থাকেন। কিছুদিন আগে মেয়ে ইভা ও জামাতা বাবার বাড়িতে এসেছিলেন এবং সোমবার সকালে ঢাকায় ফিরে যান। বাড়িটি একদম ফাঁকা থাকার সুযোগে রাতে চুরির ঘটনা ঘটে।পরদিন সকালে মকলেছুরের আত্মীয় (ভাইয়ের মেয়ে জামাই) সানাউল্লাহ বাড়িতে গেলে মূল গেট ভেতর থেকে বন্ধ দেখে সন্দেহ হয়। তখন প্রতিবেশী মমতাজ সরকারের লক্ষ করে জানালা খোলা ও গ্রিল ভাঙা দেখে ভেতরে ঢুকে দেখা যায়, তিনটি রুমের দরজার তালা কাটা। ঘরের ড্রেসিং টেবিল, আলমারি ও ট্রাঙ্ক ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছে।মকলেছুরের ছেলে মিজানুর রহমান ফরহাদ জানান, ‘আমরা সবাই ঢাকায় থাকি, বাড়ি দীর্ঘদিন ফাঁকা। চোরেরা আম ও মাছ বিক্রির নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, বাড়ির দলিল ও দুইটি ব্যাংকের চেকবই নিয়ে গেছে। আনুমানিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৭ লক্ষ টাকা, তবে আমার বাবা হিসাব করলে সুনির্দিষ্ট পরিমাণ বলা সম্ভব হবে।’বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আ ফ ম আছাদুজ্জামান বলেন, ‘খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
