দেশজুড়ে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও দখলবাজির দৌরাত্ম্যে মানুষ অতিষ্ঠ বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম। সোমবার (৬ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ পৌরসভার মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত আসনভিত্তিক নির্বাচনী দায়িত্বশীলদের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতারাও গাড়ি কিনে মাস্তানি করেছে। সেই অন্যায়ের প্রতিকার না হলে মানুষ নির্বাচনের ফল মেনে নেবে না।’মাওলানা হালিম বলেন, ‘নির্বাচন অবশ্যই হবে, তবে তার আগে সংস্কার ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার ভিত্তি তৈরি করতে হবে। এজন্য জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নিশ্চিত করতে গণভোটের আয়োজন জরুরি। তাহলেই জনগণের রক্ত ও ত্যাগের স্বীকৃতি আসবে।’ধর্মভিত্তিক রাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘অনেকে বলেন কুরআনে রাজনীতি নেই বা শরীয়াহ আইনে বিশ্বাস করি না। কিন্তু তাহলে সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ যুক্ত করা হয়েছিল কেন? শরীয়াহ আইনে মানুষের আস্থা আছে কিনা সাদিক কায়েমরা ডাকসু ও জাকসু নির্বাচনে প্রমাণ করেছে।’তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ চাই না। আমরা এমন বাংলাদেশ চাই যেখানে সংখ্যালঘু–সংখ্যাগুরু বলে কোনো বিভাজন থাকবে না। তাহলেই সাম্য ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র কায়েম হবে।’কর্মশালায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘মানুষের ঘরে ঘরে যান, তাদের কাছে সত্য পৌঁছে দিন। প্রতিবাদ হবে আদর্শিক ও যৌক্তিক। কখনো দ্বন্দ্বে যাবেন না।’অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামী রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের টিম সদস্য মো. আব্দুর রশিদ, পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও জেলা আমির মাওলানা ইকবাল হোসেন, পঞ্চগড়-২ আসনের প্রার্থী মুহাম্মদ শফিউল্লাহ সুফি, জেলা জামায়াতের মিডিয়া ও আইটি সম্পাদক শহীদ আর ইসলাম, দেবীগঞ্জ উপজেলা সেক্রেটারি মো. বেলাল হোসেন ও বোদা উপজেলা আমির মাওলানা জাহিদুর রহমান প্রমুখ।আরডি
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
