রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার তারাগঞ্জ বাজার থেকে উপজেলা যাওয়ার রাস্তায় তারাগঞ্জ কেন্দ্রীয় দূর্গা মন্দির থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ জয়নাল আবেদীনের বাড়ির সামন পর্যন্ত রাস্তাটিতে সামান্য বৃষ্টিতে হাঁটু পানি জমে থাকে। এর ফলে ওই রাস্তা দিয়ে চলাচলে চরম দুর্ভোগে পড়েছে সেখানকার স্থানীয় লোকজনসহ পথচারীরা।দীর্ঘ দিন ধরে এ রাস্তাটি এভাবে পড়ে থাকলেও সংস্কারের কোনো পদক্ষেপ নেয়নি কর্তৃপক্ষ। কয়েক বছর আগে ওই রাস্তার পানি নিষ্কাশনের জন্য রাস্তার পাশে খুঁড়ে পাইপ দিয়েছিল। কিন্তু কয়েক দিন যেতে না যেতেই ওই পাইপ নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে এই অবস্থা থেকে রেহাই হয়নি স্থানীয় লোকজন ও পথচারীদের।তারাগঞ্জ বাজারে প্রবেশের ব্যস্ততম সড়ক এটি। স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী এ রাস্তা দিয়েই তারাগঞ্জে আসেন।ঘনিরামপুর গ্রামের বাসিন্দা রহমত আলী বলেন, ‘তারাগঞ্জে আমাদের এই রাস্তা দিয়েই আসতে হয়। দীর্ঘ দিন যাবত রাস্তাটিতে এভাবে জলাবদ্ধতা থাকলেও এই রাস্তাটি সংস্কার করা হচ্ছে না। এই রাস্তাটি দেখার যেন কেউ নেই।’তারাগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী রায়হান ইসলাম বলেন, ‘এই রাস্তাটি এভাবে থাকার কারণে আমাদের ব্যবসায় বিরূপ প্রভাব পড়েছে। এ বাজারে লোকজন কম আসছে। তারাগঞ্জ বাজার থেকে মোটা অঙ্কের রাজস্ব আয় করে সরকার। বাজারের রাস্তা এভাবে ভাঙাচোরা অবস্থায় পড়ে থাকলে রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হবে সরকার।’এ রাস্তা দিয়ে শুধু তারাগঞ্জ হাটের লোকই চলাচল করে না। এই রাস্তার পাশে রয়েছে তারাগঞ্জ কেন্দ্রীয় দূর্গা মন্দির, একটি ক্বওমী মাদ্রাসা, একটি মসজিদ, উপজেলার অন্যতম একটি কিণ্ডার গার্টেন বিদ্যালয়, একটি কৃষি প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট ও একটি মহিলা বিএম কলেজ। সব দিক বিবেচনায় এই রাস্তাটি তারাগঞ্জের খুবই গুরুত্বপূর্ণ।তারাগঞ্জ থানাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মোঃ সেতু ইসলাম বলেন, ‘এই রাস্তা কর্তৃপক্ষের নজরে পড়ে না। কত দিন থেকে যে এ রাস্তা কাঁদাপানিতে একাকার, তবু কাজ হয় না। এই রাস্তার কাজ দ্রুত হলে এলাকার লোকজনের চলাচল ভালো হতো।’তারাগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘ওখানে পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা দরকার। আমি ওই স্থানের লোকদের কাছে ড্রেন নির্মাণের জন্য জায়গা চেয়েছি কিন্তু তারা না দেওয়ায় আমি ড্রেন নির্মাণের কাজের বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারছি না। ড্রেন নির্মাণের জায়গা পেলেই আমি ব্যবস্থা করতে পারি।’এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
