বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন বড় বড় শহরে ভাসমান অনেক মানুষকে দেখা যায় ফুটপাথে, বাস টার্মিনাল, লঞ্চ টার্মিনাল কিংবা রেল স্টেশনে ঘুমাতে। ঘরহীন এইসব মানুষের অনেকেরই থাকার কোনও আবাস না থাকায় তারা রাত কাটাতে বেছে নেয় এসব স্থানকে। আবার অনেকের ঘর থাকলেও জীবিকার প্রয়োজন কিংবা অন্য কোনও কারণে বাধ্য হন রাস্তাঘাটে এভাবে জীবন কাটাতে। পথবাসী এইসব মানুষদের নিয়ে যারা কাজ করছেন তারা বলছেন, এদের জীবনমান উন্নত করতে দরকার বেশ কিছু সমন্বিত পরিকল্পনা ও উদ্যোগ। বিমানবন্দর এলাকার প্ল্যাটফর্মে দেখা যাচ্ছে ঘুমিয়ে আছেন মাথার ওপর ছাদহীন অনেক মানুষ। ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন আরো অনেকেই। স্টেশনের ভেতরে এখানে ওখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ঘুমিয়ে আছেন অনেক মানুষ। রাত যতই গভীর হচ্ছে, তাদের সংখ্যাও বাড়ছে। আট নম্বর প্ল্যাটফর্মে দেখা গেল পাশাপাশি শুয়ে আছেন প্রায় দুই-আড়াইশ’ নারী-পুরুষ। অবশিষ্ট যেটুকু জায়গা খালি আছে সেখানেও ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করে শোয়ার আয়োজন করছেন অনেকে। ডেকরেটরের দোকানে খানশামার কাজ করেন সবুর মিয়া। বাড়ি দিনাজপুরে। থাকার জায়গার অভাবে কয়েক বছর ধরে তিনি স্টেশনেই ঘুমান। অশীতিপর খলিল হোসেনের জীবনের গল্প অন্যরকম। স্ত্রী মারা গেছেন অনেকদিন। থাকার মত একটি ঠিকানা থাকলেও ছেলে এবং ছেলেবউয়েরা চায় না বলে তাকেও আশ্রয় নিতে হয়েছে স্টেশনে। বয়সের ভারে এখন আর কোনও কাজ করতে পারেন না খলিল মিয়া। আবার ভিক্ষা করে খেতেও লজ্জা লাগে। তিনি বলছেন, ‘ছেলে মেয়েরা বাসা নিয়া থাকে। বড় বউ কয় খাইয়া যাইও, থাকনের জায়গা নাই। আজান দিলে গিয়া নামাজ পড়ে আসি। রাইতে এইখানে থাকি।’ ‘পোলাপাইনের বাসায় মাঝেমধ্যে খাইয়া আসি, হেরা মাঝেমধ্যে টাকাপয়সা দিলে হোটেলে খাই। অনেক সময় হোটেলের লোকেরা কয় আইসা খাইয়া যাইয়েন, টেকা লাগবো না। আমি শরম লজ্জায় যাই না।’ পথবাসী বাবা-মায়েরা নিজেদের মাথা গোঁজার জন্য নিরাপদ আবাসের ব্যবস্থা করতে না পারলেও সচেতন হচ্ছেন ছেলে-মেয়েদের নিরাপত্তার ব্যাপারে। ২৬ বছর ধরে ফুটপাতে রাত কাটাচ্ছেন এমন এক দম্পতিকে ঘুমাতে দেখা গেল কারওয়ান বাজারের ঠিক উল্টোদিকের ফুটপাতে। তারা বলছেন, ‘যখন বৃষ্টি নামে তখন বিছানা উঠাইয়া পাশের দোকানের সামনে বসি, বৃষ্টি থামলে আবার শুই। কি করুম?’ একজন মহিলা হিসেবে রাতে পথে থাকতে ভয় লাগে কি-না জানতে চাইলে এই ছাব্বিশ বছর ধরে রাস্তায় রাত কাটানো এই নারী বলেন, ‘অহন আর ভয় কি? আমরার কি অইব? আমাদের কাছ থেইকা কি টেহা-পয়সা নিতে পারবো?’ এই দম্পতির ছেলেমেয়েরা থাকে গ্রামে। আর তারা রোজগার করে ভিক্ষা করেন।রাজধানীতে ভাসমান মানুষ যাদের পাশে নেই কেউবাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন বড় বড় শহরে ভাসমান অনেক মানুষকে দেখা যায় ফুটপাথে, বাস টার্মিনাল, লঞ্চ টার্মিনাল কিংবা রেল স্টেশনে ঘুমাতে। ঘরহীন এইসব মানুষের অনেকেরই থাকার কোনও আবাস না থাকায় তারা রাত কাটাতে বেছে নেয় এসব স্থানকে। আবার অনেকের ঘর থাকলেও জীবিকার প্রয়োজন কিংবা অন্য কোনও কারণে বাধ্য হন রাস্তাঘাটে এভাবে জীবন কাটাতে। পথবাসী এইসব মানুষদের নিয়ে যারা কাজ করছেন তারা বলছেন, এদের জীবনমান উন্নত করতে দরকার বেশ কিছু সমন্বিত পরিকল্পনা ও উদ্যোগ। বিমানবন্দর এলাকার প্ল্যাটফর্মে দেখা যাচ্ছে ঘুমিয়ে আছেন মাথার ওপর ছাদহীন অনেক মানুষ। ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন আরো অনেকেই। স্টেশনের ভেতরে এখানে ওখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ঘুমিয়ে আছেন অনেক মানুষ। রাত যতই গভীর হচ্ছে, তাদের সংখ্যাও বাড়ছে। আট নম্বর প্ল্যাটফর্মে দেখা গেল পাশাপাশি শুয়ে আছেন প্রায় দুই-আড়াইশ’ নারী-পুরুষ। অবশিষ্ট যেটুকু জায়গা খালি আছে সেখানেও ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করে শোয়ার আয়োজন করছেন অনেকে। ডেকরেটরের দোকানে খানশামার কাজ করেন সবুর মিয়া। বাড়ি দিনাজপুরে। থাকার জায়গার অভাবে কয়েক বছর ধরে তিনি স্টেশনেই ঘুমান। অশীতিপর খলিল হোসেনের জীবনের গল্প অন্যরকম। স্ত্রী মারা গেছেন অনেকদিন। থাকার মত একটি ঠিকানা থাকলেও ছেলে এবং ছেলেবউয়েরা চায় না বলে তাকেও আশ্রয় নিতে হয়েছে স্টেশনে। বয়সের ভারে এখন আর কোনও কাজ করতে পারেন না খলিল মিয়া। আবার ভিক্ষা করে খেতেও লজ্জা লাগে। তিনি বলছেন, ‘ছেলে মেয়েরা বাসা নিয়া থাকে। বড় বউ কয় খাইয়া যাইও, থাকনের জায়গা নাই। আজান দিলে গিয়া নামাজ পড়ে আসি। রাইতে এইখানে থাকি।’ ‘পোলাপাইনের বাসায় মাঝেমধ্যে খাইয়া আসি, হেরা মাঝেমধ্যে টাকাপয়সা দিলে হোটেলে খাই। অনেক সময় হোটেলের লোকেরা কয় আইসা খাইয়া যাইয়েন, টেকা লাগবো না। আমি শরম লজ্জায় যাই না।’ পথবাসী বাবা-মায়েরা নিজেদের মাথা গোঁজার জন্য নিরাপদ আবাসের ব্যবস্থা করতে না পারলেও সচেতন হচ্ছেন ছেলে-মেয়েদের নিরাপত্তার ব্যাপারে। ২৬ বছর ধরে ফুটপাতে রাত কাটাচ্ছেন এমন এক দম্পতিকে ঘুমাতে দেখা গেল কারওয়ান বাজারের ঠিক উল্টোদিকের ফুটপাতে। তারা বলছেন, ‘যখন বৃষ্টি নামে তখন বিছানা উঠাইয়া পাশের দোকানের সামনে বসি, বৃষ্টি থামলে আবার শুই। কি করুম?’ একজন মহিলা হিসেবে রাতে পথে থাকতে ভয় লাগে কি-না জানতে চাইলে এই ছাব্বিশ বছর ধরে রাস্তায় রাত কাটানো এই নারী বলেন, ‘অহন আর ভয় কি? আমরার কি অইব? আমাদের কাছ থেইকা কি টেহা-পয়সা নিতে পারবো?’ এই দম্পতির ছেলেমেয়েরা থাকে গ্রামে। আর তারা রোজগার করে ভিক্ষা করেন।এনআই

Source: সময়ের কন্ঠস্বর

সম্পর্কিত সংবাদ
সহোদর হত্যার ঘটনায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন
সহোদর হত্যার ঘটনায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন

কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়ায় অপহরণের পর সহোদর ২ শিশুকে হত্যার ঘটনায় আলোচিত মামলায় ৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৪ জনকে যাবজ্জীবন Read more

নিউজিল্যান্ডে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ফুটবল টুর্নামেন্ট
নিউজিল্যান্ডে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ফুটবল টুর্নামেন্ট

নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সবচেয়ে বড় ফুটবল আয়োজন  ‘ট্রাইগার্স কাপ ২০২৫’। ট্রিপস এন্ড ট্যুরস লিমিটেড এর পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত Read more

মুন্সিগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৮ দোকান পুড়ে ছাই
মুন্সিগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৮ দোকান পুড়ে ছাই

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত ৭ থেকে ৮টি দোকান আংশিক ও সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ৮০ Read more

কালিয়াকৈর ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নাবিল গ্রেফতার
কালিয়াকৈর ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নাবিল গ্রেফতার

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাথালীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাজেদুল ইসলাম নাবিলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ Read more

কেরানীগঞ্জে সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের ৬ সদস্য গ্রেফতার
কেরানীগঞ্জে সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের ৬ সদস্য গ্রেফতার

ঢাকার কেরানীগঞ্জে সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার (২২ জুলাই) গভীর রাত থেকে মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত সাভার, আশুলিয়া Read more

আমরা নিরপেক্ষ নই ,    জনতার পক্ষে - অন্যায়ের বিপক্ষে ।    গণমাধ্যমের এ সংগ্রামে -    প্রকাশ্যে বলি ও লিখি ।   

NewsClub.in আমাদের ভারতীয় সহযোগী মাধ্যমটি দেখুন