দিন রাতের পরিতর্বতন আল্লাহ তায়ালার প্রকৃতি বিধান। জীবনের ডায়েরি থেকে ঝরে গেলো আরো একটি বছর। প্রতিটি বছর গেলেই আমরা মৃত্যুর আরো কাছাকাছি হই। শুরু হয় নতুন বছর। নতুন বছরে মানুষ আনন্দিত হয়। আবার অনুশোচনা ও দুঃখে ভারাক্রান্তও হয়। নতুন বছর আগমনে যেমন খুশি ও আনন্দ বিরাজ করে। তেমনি জীবন থেকে একটি বছর হারিয়ে যাওয়ার বেদনাও মিশে থাকে। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের মাঝে এ মাস/বছরের আগমন ঘটান শান্তি, নিরাপত্তা এবং ইমান ও ইসলামের ওপর অবিচলতার সাথে।সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে হিশাম (রা.) থেকে বর্ণিত রয়েছে, সাহাবায়ে কেরাম (হিজরি ক্যালেন্ডারের) নতুন মাস বা নতুন বছর শুরু হলে এ দোয়াটি পড়তেন:اللَّهُمَّ أَدْخِلْهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَالْإِيمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَالْإِسْلَامِ وَرِضْوَانٍ مِنَ الرَّحْمَنِ وَجَوَار مِنَ الشَّيْطَانِউচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আদখিলহু আলাইনা বিল-আমনি ওয়াল ইমানি ওয়াস সালামাতি ওয়াল ইসলামি ওয়া রিদওয়ানিম মিনার রাহমানি ওয়া জাওয়ারিম মিনাশ শায়ত্বানি।অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি আমাদের মাঝে এ মাস/বছরের আগমন ঘটান শান্তি, নিরাপত্তা এবং ইমান ও ইসলামের ওপর অবিচলতার সাথে, শয়তান থেকে সুরক্ষা ও দয়াময় আল্লাল্লাহর সন্তুষ্টির সাথে। (মু’জামুস সাহাবাহ: ১৫৩৯)ইসলামে মুসলমানদের ক্যালেন্ডার হিসেবে হিজরি চন্দ্র ক্যালেন্ডার পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য। ইসলামের অনেক বিধান এ ক্যালেন্ডারের তারিখ অনুযায়ী পালন করতে হয়। কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, তারা তোমাকে নতুন চাঁদ সম্পর্কে প্রশ্ন করে। বলো, তা মানুষের ও হজের জন্য সময় নির্ধারক। (সুরা বাকারা: ১৮৯)নবিজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চন্দ্র ক্যালেন্ডারের মাসের হিসাব রাখতেন। মাসের শুরুতে নতুন চাঁদ দেখে দোয়া পড়তেন। ওপরে উল্লেখিত দোয়াটিও সাহাবায়ে কেরাম পড়তেন হিজরি নতুন মাস বা নতুন বছরের শুরুতে।আমাদের দেশে যেহেতু বাংলা ক্যালেন্ডারও প্রচলিত, বৈষয়িক কিছু কাজকর্মে আমরা ক্যালেন্ডারটি ব্যবহার করে থাকি, তাই বাংলা ক্যালেন্ডারের নতুন বছরের শুরুতেও এ দোয়াটি আমরা পড়তে পারি।এইচএ
Source: সময়ের কন্ঠস্বর