পাবনার ঈশ্বরদীতে কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষকদের আর্থিক উন্নয়নের লক্ষ্যে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১ টার সময় বিশ্বব্যাংক, ইউএনডিপি ও আইএফএডি-এর সহযোগিতায় উপজেলা ডাল গবেষণা কেন্দ্র ও আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের (বিএআরআই) হলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।বাংলাদেশ পুষ্টি ও স্থিতিস্থাপকতার জন্য কৃষি ও গ্রামীন রুপান্তর সংক্রান্ত (পার্টনার) প্রকল্পের আওতায় এ কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে ।আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মোহাম্মদ শোয়াইবের সভাপতিত্বে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার প্রহল্লাদ কুমার কুন্ডুর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন পাবনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম প্রমানিক।এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পাবনার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক নূরে আলম, প্রশিক্ষণ অফিসার সাইফুল ইসলাম, উপজেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা আকলিমা খাতুন প্রমুখ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি পাবনার উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম প্রমানিক বলেন, কৃষি বাংলাদেশের মেরুদণ্ড।দেশের আপামর জনতার ৮০ ভাগ মানুষ কৃষি কাজে জড়িত। তাই একজন কৃষিবিদ বলেছিল ‘ “বাংলার চাষি শতকরা যদি টানে পিছে, বাঁকি ২০ মিলে দেশ গড়া যাবে”। যতই চেষ্টা করুক না কেন কৃষক বাদে ২০ ভাগ মানুষ কিছু করতে পারবে না। খাদ্য দিতে পারবে না অন্য উন্নয়ন তো দূরের কথা মানুষ না খেয়ে মারা যাবে। যদি কৃষকরা বসে থাকে।তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার বড় টার্গেট নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এদেশের কৃষকদের সাথে নিয়ে আমরা দেশের উন্নয়নে এগিয়ে যেতে পারি। পুরোনো পদ্ধতি বাদ দিয়ে নতুন নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারে কৃষিকে আরও আধুনিক করা হবে।ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মমিন বলেন, কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি, নতুন জাতের সম্প্রসারণ, কৃষিপণ্যের বাজারজাতকরণ, খাদ্যের গুণগত মান বৃদ্ধি এবং নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে কৃষি-তথ্য ছড়িয়ে দেওয়াসহ প্রযুক্তি ও কলাকৌশলের টেকসই সহায়তা প্রদান করা এই কংগ্রেসের মূল উদ্দেশ্য। প্রকল্পের মূল লক্ষ্য কৃষকদের উদ্যোক্তা হিসেবে সৃষ্টি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার করা। দেশের কৃষিকে খোরপোষ পর্যায় থেকে বাণিজ্যিকীকরণ, খাদ্য ও পুষ্টিমান নিশ্চিতকরণ এবং জলবায়ু সহনশীল করে তুলতে ‘পার্টনার’ প্রোগ্রাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠানে কৃষি দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গন্যমান্য ব্যক্তি, বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি, পিএফএস ও নন-পিএফএস কৃষক-কৃষাণী, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা এবং স্টেকহোল্ডার অংশ নেন। এতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত শতাধিকের বেশি কৃষক-কৃষাণী অংশ নেন। পাশাপাশি স্টলে উন্নত জাতের ফসল ও কৃষিপণ্য প্রদর্শন করা হয়।ইখা
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
