আজ ২৬ এপ্রিল, বিশ্ব মেধাসম্পদ দিবস। বিশ্বের আন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এ দিবসটি পালিত হবে। ২০০০ সাল থেকে প্রতিবছর জাতিসংঘের ‘বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থা’র আয়োজনে দিবসটি পালিত হচ্ছে। ২০২৬-এর প্রতিপাদ্য ‘আইপি এবং খেলাধুলা : প্রস্তুত, শুরু, উদ্ভাবন’। বাংলাদেশে ‘গ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস ‘বিশ্ব মেধাসম্পদ দিবস’।দিবসটি পালনের মূল লক্ষ্য হলো- মেধাসম্পদের কৃতিস্বত্ব (পেটেন্ট), বিপণন স্মারক (ট্রেডমার্ক) কপিরাইট সুরক্ষার সঙ্গে সঙ্গে উদ্ভাবক, গবেষকদের শিল্পসুষমা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি এবং সমাজ উন্নয়ন-পরিবর্তনে তাঁদের ভূমিকার জন্য কৃতজ্ঞতা জানানো। মানব প্রতিভার সাধনা হলো intellectual labor, ভোগবাদী সমাজে সাধনাটির তেমন মূল্যায়ন নেই। সৃষ্টিগতভাবেই মানুষ স্বপ্নবিলাসী। ‘মেধা’ মানুষের স্বপ্নজয়ের শক্তি। বিশ্বজয়ী সবাই স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করেছেন তাদের মেধা তথা তার ভেতরের শক্তি বিকাশের মাধ্যমে।মহান আল্লাহ আমাদের দান করেছেন অফুরন্ত অনুগ্রহ। ‘মেধা’ এমনই গুরুত্বপূর্ণ অনুগ্রহ। ‘মেধা’ মানুষকে বানিয়েছে আশরাফুল মাখলুকাত (সৃষ্টির সেরা)। মানুষ ছাড়া অন্য প্রাণীর মেধাগত উদ্ভাবনী যোগ্যতা নেই। মেধার জোরেই মানুষ শক্তিশালী এবং বিষাক্ত প্রাণীকে বশে এনেছে, নিজের প্রয়োজনে।এইচএ
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
