সংসারের মায়ার টানে একটুখানি তাজা শাকসবজি তুলতে গিয়েছিলেন বাড়ির কাছের রেললাইনের পাশের জমিতে। কিন্তু সেই রেললাইনই যে আজ তাঁর জীবনের শেষ সীমানা হয়ে দাঁড়াবে, তা ভাবেনি কেউ। দিনাজপুরের বিরামপুরে দ্রুতগামী ট্রেনের নির্মম ধাক্কায় না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন আঞ্জুয়ারা বেগম (৬৫) নামের এক বৃদ্ধা।শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে বিরামপুর পৌরশহরের পলাশবাড়ী রেলগেট এলাকায় যখন নীল-সাগর এক্সপ্রেসের হুইসেল বাজছিল, ঠিক সেই মুহূর্তে এক নিমিষেই স্তব্ধ হয়ে যায় একটি প্রাণ।নিহত আঞ্জুয়ারা বেগম ছিলেন কলেজিয়েট স্কুলপাড়া এলাকার এক অতি পরিচিত মুখ। বার্ধক্যের ছাপ পড়লেও সংসারের প্রতি তাঁর টান কমেনি এতটুকু। প্রতিদিনের মতো এদিনও সবজি তুলতে গিয়েছিলেন তিনি। ঘাতক ট্রেনটি যখন তাঁর শরীরের ওপর আঘাত হানে, তখন হয়তো হাত বাড়িয়ে শেষবারের মতো বাঁচার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু যান্ত্রিক দানবের গতির কাছে হার মেনেছে তাঁর নিশ্বাস। বিকেলের রোদে যখন সবজিগুলো সতেজ হয়ে উঠেছিল, তখন তাঁর নিথর দেহটি পড়ে ছিল রেললাইনের পাশে।খবর পেয়ে হিলি রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সাব-ইন্সপেক্টর তাজরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তিনি বলেন, “অসতর্কতা কেড়ে নিল একটি মূল্যবান প্রাণ। পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে কোনো ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
