কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও টেটা যুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় প্রতিপক্ষের বিল্ডিং ও ঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৮-১০ জন আহত হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।সোমবার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার চালিভাঙ্গা ইউনিয়নের মৈশারচর গ্রামে সালাম গ্রুপ ও মনোয়ার মেম্বার গ্রুপের মধ্যে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সালাম গ্রুপ ও মনোয়ার মেম্বার গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পূর্ব শত্রুতা ও মামলা-মোকদ্দমা চলে আসছিল। এরই জেরে শনিবারের হাতাহাতির পর মঙ্গলবার বিকেলে পরিস্থিতি বড় ধরনের সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষ চলাকালে মনোয়ার মেম্বার গ্রুপের লোকজন সালাম মিয়ার বিল্ডিং ও ঘরে অগ্নিসংযোগ করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে উভয় পক্ষের আহত ব্যক্তিদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক নাজমুল হাসান জানান, শমলা বেগম (৫৫) নামে এক নারী মারামারির ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে এসেছেন। অন্যরা এখনও আসেননি।চালিভাংগা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন কবির বলেন, “শনিবার হাতাহাতির পর মঙ্গলবার বড় ধরনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পূর্ব শত্রুতার জেরেই এ ঘটনা ঘটেছে। এ সময় একটি পক্ষের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ করা হয় এবং উভয় পক্ষের অন্তত ৮-১০ জন আহত হয়েছেন।”এ বিষয়ে মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেছে। আমরা জানতে পেরেছি পূর্ব শত্রুতার জেরেই এ সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। তবে উভয় পক্ষের কেউ মামলা করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
