বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ছাত্রদলের নেতা কৃষি অনুষদের ৬১ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী হাসিবুল হাসান কৌশিককে পিটিয়েছে ঈশা খাঁ হলের শিক্ষার্থীরা ।সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুর ১২ টার পর ওই নেতাকে মারধর করে ওই হলের শিক্ষার্থীরা ।মার খাওয়ার পর কৌশিক জানান, দুপুর ১২ টার দিকে আমি পরীক্ষা শেষ করে বের হচ্ছিলাম। তখন আবাসিক ঈশা খাঁ হলের শিক্ষার্থীরা পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী আমার উপর অতর্কিত চড়াও হয়। বিভিন্ন লেভেলের আনুমানিক ৪০-৫০ জন এসে আমাকে মারধর কারতে থাকে। কি কারণে মেরেছে আমি ঠিক জানি না। তবে যারা আমার উপর চড়াও হয়েছে তাদের কয়েকজন ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিল আর আমি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির মতাদর্শ লালন করি। এজন্য আমার সাথে তাদের মতাদর্শের পার্থক্য থাকায় আমার উপর তারা হামলা করেছে হতে পারে।হামলাকারীদের কাউকে শনাক্ত করতে পেরেছেন কি না এ বিষয়ে ভুক্তভোগী বলেন, সর্বপ্রথম আমার মাথার পিছনে আঘাত করে ঈশা খাঁ হলের কৃষি অনুষদের ৬১ ব্যাচের এক শিক্ষার্থী। পরবর্তী ৬৩ ও ৫৮ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা এসেও মারধর করে।এই বিষয়ে ঈশা খাঁ হলের অভিযুক্ত শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা কথা বলছিলাম এসময় হুট করেই দুই পক্ষের হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। এই ঘটনায় উদ্দেশ্যেপ্রবণ ভাবে আমাদের কয়েকজনকে ফাঁসানো হচ্ছে।এই ঘটনায় ঈশা খাঁ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. জিয়াউল হক বলেন, আমার কাছে কয়েকজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে। আমি কয়েকজনকে এতো মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছি। প্রশাসন এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার করবে। আমি ধারণা করছি আজকের ঘটনা গত দিনের দুই হলের শিক্ষার্থীদের হাতাহাতির জেরে সংঘটিত হয়েছে। প্রশাসনের বরাবর এই দুই দিনের ঘটনার সুষ্ঠু বিচার আমরা চাইবো।বাকৃবির ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর অধ্যাপক ড. কাজী ফরহাদ কাদির বলেন, এই ঘটনার বিচার নিশ্চিত করতে আমরা তদন্ত কমিটি গঠন করবো। যারা যারা হামলার সাথে সম্পৃক্ত ছিল সকলের বিচার করা হবে। এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
