যুদ্ধ অবসানে ইরান শান্তি আলোচনা চালিয়ে যেতে প্রস্তুত এবং বিরোধ সমাধানে কূটনৈতিক পথই তাদের পছন্দনীয় বলে জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।ইরানের বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে এক কথোপকথনে এ কথা বলেন।পেজেশকিয়ান বলেন, হুমকি, চাপ কিংবা সামরিক পদক্ষেপ নিলে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের সমস্যা আরও বাড়াবে এবং পরিস্থিতি আরও জটিল হবে।তিনি আরও বলেন, ইউরোপের উচিত যুক্তরাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিক আইন ও নীতি মেনে চলতে উৎসাহিত করা। খবর বিবিসি’র। এদিকে, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ আরোপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি। তিনি এটিকে ইরানের সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতার চরম লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যা দেন এবং একটি অবৈধ আগ্রাসনমূলক কাজ বলে অভিহিত করেন, যা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ।সোমবার (১৩ এপ্রিল) জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির কাছে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক চিঠিতে ইরাভানি ওয়াশিংটনের সবশেষ উসকানিমূলক পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানান।অন্যদিকে, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাবের কারণে বিশ্বব্যাপী ৩ কোটি ২০ লাখের বেশি মানুষ দারিদ্র্যের মধ্যে পড়তে পারে বলে উঠে এসেছে এক প্রতিবেদনে।ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি নিয়ে সন্দেহের মধ্যে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) বলেছে, জ্বালানি, খাদ্য ও দুর্বল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি-সংক্রান্ত এক ‘ত্রিমুখী ধাক্কা’র সম্মুখীন হচ্ছে বিশ্ব।দারিদ্র্য মোকাবিলায় কাজ করা সংস্থাটি জানিয়েছে, এই সংঘাত আন্তর্জাতিক উন্নয়নের অগ্রগতি পিছিয়ে দিচ্ছে এবং এর প্রভাব অঞ্চলভেদে অসমভাবে অনুভূত হবে।ইউএনডিপি’র প্রশাসক এবং বেলজিয়ামের সাবেক প্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার ডি ক্রু বলেছেন, ‘এ ধরনের সংঘাত উন্নয়নের বিপরীতমুখী প্রক্রিয়া। যুদ্ধ বন্ধ এবং যুদ্ধবিরতিকে অবশ্যই স্বাগত। কিন্তু এর প্রভাব ইতোমধ্যেই দেখা দিয়েছে।’ এমআর-২
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
