জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি কারিকুলাম বাস্তবায়নে ১২ হাজার শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ শুরুর কথা জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগ এবং ইউনিসেফের’ যৌথ আয়োজনে এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।উপাচার্য বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১২ হাজার শিক্ষকের আইসিটি প্রশিক্ষণ শুরু হবে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্যও আইসিটি বাধ্যতামূলক হবে।তিনি বলেন, দেশের সবচেয়ে বড় উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত কলেজের সংখ্যা ২২৮৪টি। যাতে অধ্যয়ন করছে ৪০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা দেশের উচ্চ শিক্ষা গ্রহণকারী মোট শিক্ষার্থীর ৭০ শতাংশ। এদের বেশিরভাগই মধ্য ও নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। পুরনো ও গতানুগতিক সিলেবাসে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করার পর এদের বেশিরভাগই বেকার থাকে। কারণ কারিগরি বিষয় ও ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার অভাব।জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজের শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে গৃহীত নানা ধরণের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, শিক্ষা ও গবেষণায় গুণগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে গত পৌনে দুই বছরে প্রায় ৩০টি আন্তর্জাতিক ও দেশীয় স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।প্রফেসর আমানুল্লাহ বলেন, শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মৌলিক দক্ষতা উন্নয়নে এরইমধ্যে স্নাতক পর্যায়ে ইংরেজি, বাংলাদেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও পরিচয় এবং আইসিটি বিষয় বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তিনি বলেন, বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের তৃতীয় ভাষা শেখানোর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে। অগ্রসর শিক্ষা ও গবেষণার জন্য বিশ্বমানের একটি ফরেনসিক ল্যাব প্রতিষ্ঠার চিন্তা আছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের।প্রফেসর আমানুল্লাহ আরও বলেন, অদূর ভবিষ্যতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিশ্ব আঙিনায় দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে বড় ভূমিকা রাখবে। কারণ সরকারের সহযোগিতায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন বিশ্বস্বীকৃত আধুনিক শিক্ষা পদ্ধতি প্রবর্তনের চেষ্টা করছে। যা দক্ষ, চাকরিতে প্রবেশের যোগ্য ও ভবিষ্যত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম জনবল তৈরি করবে। এরআগে তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা কার্যক্রম ও ইতোমধ্যে গৃহিত উদ্যোগ সংক্রান্ত তথ্য উপস্থাপন করেন।এইচএ
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
