হাম সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। হামের লক্ষণগুলো রোগীর শরীরে প্রকাশ হওয়ার আলাদা-আলাদা সময়কাল আছে। হামের বিভিন্ন পর্যায় সম্পর্কে ধারণা থাকলে তা প্রাথমিক পর্যায়ে নির্ণয় এবং এর বিস্তার প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে। তবে দেশে হামে প্রতিবছর কতজন আক্রান্ত হয়, তার হিসাব নিয়মিত করা হলেও মৃত্যুর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয় না।হামের র্যাশ সাধারণত মুখ থেকে শুরু হয় এবং ধীরে ধীরে ঘাড়, হাত, পা এবং পায়ের পাতাসহ পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। দাগগুলো প্রথমে সমতল এবং লাল থাকে, এবং তারপর সেগুলোর উপর ছোট ছোট ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে, এই দাগগুলো একত্রিত হয়ে বড় আকার ধারণ করে।হাম হলে শরীর খুব দুর্বল হয়ে যায়, জ্বর, র্যাশ, কাশি—সব মিলিয়ে রোগীর পুষ্টিকর ও সহজপাচ্য খাবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক খাবার রোগ দ্রুত সেরে উঠতে সাহায্য করে। হাম হলে যেসব খাবার খাওয়াবেন-১. তরল ও পানি জাতীয় খাবার। যেমন- ডাবের পানি, লেবুর শরবত, স্যুপ (মুরগি/সবজি)।২. ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবার। যেমন- গাজর, মিষ্টি কুমড়া, পাকা পেঁপে। ৩. ভিটামিন সি যুক্ত খাবার। যেমন- কমলা, মাল্টা, আমলকি।৪. নরম ও সহজপাচ্য খাবার। যেমন- খিচুড়ি, নরম ভাত ও ডাল, সুজি/ওটস। ৫. প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার। যেমন- ডিম, মাছ, মুরগির মাংস (হালকা রান্না)। ৬. দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার। যেমন- দুধ ও দই।যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন-১. ভাজাপোড়া ও তেলযুক্ত খাবার২. অতিরিক্ত মশলাযুক্ত খাবার৩. ঠান্ডা পানীয় ও আইসক্রিম, ফাস্টফুডএইচএ
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
