মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (CENTCOM) আওতাধীন ‘অপারেশনাল এরিয়া’ বা দায়িত্বপ্রাপ্ত অঞ্চলে পৌঁছেছে শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস ত্রিপোলি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) এক বার্তায় সেন্ট্রাল কমান্ড এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। যদিও রণতরীটির সুনির্দিষ্ট অবস্থান প্রকাশ করা হয়নি, তবে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের এই আওতাভুক্ত অঞ্চলের মধ্যে উত্তর-পূর্ব আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়া অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউএসএস ত্রিপোলি মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা একটি বিশেষ ‘অ্যাম্ফিবিয়াস রেডি গ্রুপ’-এর নেতৃত্ব দেবে। সাধারণত এই ইউনিটে কয়েক স্তর বিশিষ্ট যুদ্ধজাহাজের বহর থাকে, যেখানে প্রায় ৫,০০০ নৌসেনা ও মেরিন সেনা মোতায়েন থাকেন। উল্লেখ্য যে, এই রণতরীটি এর আগে জাপানে অবস্থান করছিল।গত কয়েক সপ্তাহ ধরে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রশাসন সেখানে সরাসরি ‘বুটস অন দ্য গ্রাউন্ড’ বা স্থল সেনা মোতায়েন করবে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছিল। তবে গত শুক্রবার জি-৭ (G7) সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন।তিনি স্পষ্ট করে জানান যে, ইরানের ক্ষেত্রে মার্কিন লক্ষ্য অর্জনে কোনো ধরনের স্থল সেনার প্রয়োজন নেই। তিনি বলেন, “স্থল সেনা ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্র ইরানে তার লক্ষ্য হাসিল করতে সক্ষম।”বিশ্লেষকরা মনে করছেন, লোহিত সাগর ও পারস্য উপসাগরে ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা এবং ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইউএসএস ত্রিপোলির এই মোতায়েন মূলত একটি শক্তি প্রদর্শন এবং ওই অঞ্চলে মার্কিন মিত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি পদক্ষেপ।এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
