ঈদের ছুটে শেষে কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীবাহী বাসের চাপ ও ফেরিসংকটের কারণে ভোলার ইলিশা ফেরিঘাটে নষ্ট হচ্ছে লাখ লাখ টাকার তরমুজ। তরমুজবোঝাই ট্রাকগুলো ঘাটে এসে তিন থেকে চার দিন অপেক্ষা করেও ফেরিতে উঠতে পারছে না। এতে লোকসানের মুখে পড়েছেন তরমুজ ব্যবসায়ী ও ট্রাকচালকরা।শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে ভোলার ইলিশা ফেরিঘাটে তরমুজ বোঝাই ট্রাক ও কাঁচামালবাহী পন্যের গাড়ি গুলোর দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। লাইনে সারিবদ্ধ থাকা ট্রাক চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভোলার চরফ্যাশন, লালমোহন, তজুমদ্দিনসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে তরমুজ নিয়ে ঢাকা, চট্রগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাওয়ার উদ্দেশ্য ইলিশা ফেরীঘাটে আসেন। কিন্তুু যাত্রীবাহী বাসের চাপে ফেরী সংকট থাকায় তারা পারাপার হতে পারছেন না। এতে গাড়িতেই পঁচে যাচ্ছে তাদের লাখ টাকার তরমুজ। ফিরোজ নামের এক ট্রাক চালক জানায়, ৩ দিন আগে চরফ্যাশনের চরকলমি থেকে প্রায় আড়াই হাজার তরমুজ নিয়ে কুমিল্লা যাওয়ার উদ্দেশ্য ফেরীঘাটে আসেন। তিন দিন বসে থেকেও ফেরী পাননি। এতে গাড়িতেই তরমুজ পঁচে পানি ঝরছে।সুমন নামের অপর এক চালক জানান, দুই দিন হলো তিনি ঘাটে এসেছেন। কিন্তু ফেরী না পেয়ে এখনও পার হতে পারেননি। গাড়িতে পঁচে তরমুজ নষ্ট হলে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এতে তাঁরাও ভাড়ার টাকা পাবেন না। ফলে ব্যবসায়ী ও ট্রাক চালক উভয়ই ক্ষতিগ্রস্থ হবেন।এবিষয়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) ভোলার ইলিশা ঘাটের ব্যবস্থাপক কাওছার হোসেন বলেন, ঈদের ছুটে শেষে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের চাপ থাকায় যাত্রীবাহী বাসগুলোকে অগ্রাধিকার দিতে হচ্ছে। এতে পণ্যবাহী ট্রাকগুলো কম পার হচ্ছে। এছাড়াও নাব্যতা সংকট ও এই রুটে চলাচল করা একটি ফেরী বিকল থাকায় জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। দু-একদিনের মধ্যে ফেরী যুক্ত হলে যানজট কমে যাবে। পন্যবাহী ট্রাক গুলোকে পারাপার হতে পারবে।এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
