এলাকায় রেকর্ড পরিমাণ উন্নয়ন কাজ করার পরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা ও বিরূপ মন্তব্য করায় এলাকাবাসীর জন্য ‘শাস্তি অপেক্ষা করছে’ বলে মন্তব্য করেছেন ক্ষুব্ধ এক ইউপি চেয়ারম্যান। এ মন্তব্য ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।ঘটনাটি ঘটেছে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরপার্বতী ইউনিয়নে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন জামায়াতের আমির কাজী হানিফ আনসারী এমন মন্তব্য করেন।জানা গেছে, তাঁর দায়িত্বকালীন সময়ে ইউনিয়নের নদীবিধৌত ৯ নম্বর ওয়ার্ডে অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা ক্ষোভ রয়েছে। স্থানীয়দের মতে, নদীবিধৌত এই ওয়ার্ডটি ইউনিয়নের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন থাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত অবস্থায় রয়েছে। এ নিয়ে স্থানীয় অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও বিভিন্ন পোস্ট করেন। বিষয়টি চেয়ারম্যানের নজরে এলে তিনি তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।নিজের দায়িত্বকালে ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে উল্লেখযোগ্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে দাবি করে ফেসবুক পোস্টে চেয়ারম্যান লেখেন, ‘চরপার্বতীর ৯নং ওয়ার্ডে রেকর্ড পরিমাণ কাজ করার পরও তারা অকৃতজ্ঞ হওয়ায়, আল্লাহর শুকরিয়া আদায় না করায় তাদের শাস্তি অপেক্ষা করছে।’ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘পুরো চরপার্বতীর সমপরিমাণ কাজ এই ওয়ার্ডে করেছি। আমার হিতাকাঙ্ক্ষী ভাইদের কাছে এই লেখার প্রচুর পরিমাণ শেয়ার চাই, যাতে জাতি চরপার্বতীর ৯নং ওয়ার্ড়ের মানুষের আসল চেহারা দেখুক, যারা আমাকে বহু মানুষিক কষ্ট দিতেছে, তাদের কাছে গত ৫১ বছরের চেয়ারম্যান মেম্বার কি করেছে তাও জানতে চাই।’এ বিষয়ে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান কাজী হানিফ আনসারী বলেন, ‘ওই এলাকার উন্নয়নে কোনো অবহেলা করা হয়নি। পাশাপাশি নদীভাঙন রোধে সাধ্যমতো সব চেষ্টা করা হচ্ছে। তবুও একটি মহল মনে করে আমি উন্নয়নের কাজ করছি না। তারা তীর্যক ভাষায় সমালোচনা ও গালিগালাজ করেছে। তাই রাগ-ক্ষোভে এমন স্ট্যাটাস দিয়েছি।’তবে পরবর্তীতে নিজের দেওয়া স্ট্যাটাসের কিছু অংশ সংশোধন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।এসকে/আরইউ
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
