যুদ্ধ বন্ধের উপায় নিয়ে আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখানের পরও চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে পাকিস্তানে একটি বৈঠকের আয়োজন করতে কাজ করছেন ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা। প্রশাসনের দুই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বরাতে এ খবর জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ট্রাম্প প্রশাসনের আরও কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার পাকিস্তানে যাওয়ার কথা রয়েছে। তবে কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, সফরের সময়সূচি, স্থান এবং কারা উপস্থিত থাকবেন, তাতে পরিবর্তন আসতে পারে।গত মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, তার (ট্রাম্প) জামাতা জ্যারেড কুশনার ও বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ বর্তমানে ইরানের সঙ্গে আলোচনার নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তবে রুবিও, কুশনার ও উইটকফও আলোচনার জন্য সম্ভাব্য পাকিস্তান সফরে যাবেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্রের বরাতে সিএনএন জানায়, পাকিস্তান সফরের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে তুরস্ককেও আলোচনার সম্ভাব্য স্থান হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতায় পাকিস্তান অন্যতম প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে। তবে এ প্রক্রিয়ায় তুরস্কও ভূমিকা রাখছে।ওয়াশিংটনের প্রস্তাবিত ১৫ দফার একটি পরিকল্পনা ইরানের কাছে পৌঁছে দেয় পাকিস্তান। প্রস্তাবে তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির মতো বিষয়গুলো বন্ধ করার কথা বলা হয়েছে।তবে যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া শান্তি পরিকল্পনাকে অযৌক্তিক আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। একই সঙ্গে পাল্টা পাঁচ দফা প্রস্তাব দিয়েছে তেহরান। স্থানীয় সময় বুধবার (২৫ মার্চ) নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম প্রেস টিভিকে বলেন, ‘চলমান যুদ্ধ শেষ করার লক্ষ্যে দেয়া মার্কিন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করছে ইরান। ওই কর্মকর্তা বলেন, ইরান যখন সিদ্ধান্ত নেবে এবং তার নিজস্ব শর্ত পূরণ হবে, তখনই এই যুদ্ধ শেষ হবে।পিএম
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
