মাদারীপুরে বাজি ফোটানোকে কেন্দ্র করে পুলিশ সদস্যের স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।এর আগে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সদর উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের রাখালহাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্বজন ও এলাকাবাসী জানায়, গত বৃহস্পতিবার সকালে গ্রামের কয়েকজন শিশু পটকাবাজি ফোটাচ্ছিল। এ সময় বাজির ফুলকি গিয়ে পড়ে প্রতিবেশী মন্টু শিকদারের স্ত্রী অমৃতি শিকদারের কাপড়ে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ সদস্য সুব্রত শিকদারের স্ত্রী গৃহবধূ বনানী শিকদারের (৩৫) সঙ্গে প্রতিবেশীদের কথাকাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে প্রতিবেশী মন্টু শিকদার (৬০) উত্তেজিত হয়ে হালচাষের লাঠি দিয়ে বনানীর মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। এতে গুরুতর আহত হয়ে পড়েন তিনি। স্থানীয়রা বনানীকে উদ্ধার করে প্রথমে একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে মাদারীপুর ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতালে এবং সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মঙ্গলবার রাতে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে শ্রীনদী ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। মাদারীপুর সদর মডেল থানার ওসি মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তোলক শিকদার (৪৪), মনির শিকদার (৩৮) ও রবি শিকদার (৪২) নামে তিনজনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এদিকে ঘটনার পর থেকে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
