রণবীর সিংয়ের নতুন ছবি ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ বক্স অফিসে সাফল্য পেয়েছে। প্রথম সপ্তাহের শেষে বিশ্বজুড়ে ৫০০ কোটি রুপির ব্যবসা করে ছবিটি যখন সাফল্যের শিখরে, তখন আলোচনায় উঠে এসেছে দীপিকা পাডুকোনের নীরবতা। স্বামীর এমন বিশাল সাফল্যে দীপিকা কোনো ইনস্টাগ্রাম পোস্ট বা স্টোরি শেয়ার করেননি, এমনকি রণবীরের পোস্টে ‘লাইক’ পর্যন্ত দেননি—এই নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল ট্রোলিং।সোশ্যাল মিডিয়ার একাংশ ও ‘অনলাইন সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা’ দাবি করছেন, এই নীরবতা আসলে বিপদের সংকেত। তাদের মতে, তারকা দম্পতির সম্পর্কে হয়তো ফাটল ধরেছে। কিন্তু বাস্তব চিত্র বলছে ভিন্ন কথা। রণবীরের অভিনয় যখন এসএস রাজামৌলির মতো নির্মাতারাও প্রশংসা করছেন, তখন দীপিকার প্রিমিয়ারে না যাওয়া বা পোস্ট না করাটাকেই অনেকে ‘উদাসীনতা’ হিসেবে দেখছেন।এদিকে দীপিকার ভক্তদের মতে, ভালোবাসা মানেই পাবলিক পোস্ট করা নয়।এর আগেও দীপিকা রণবীরের বিভিন্ন কাজে (যেমন: ‘৮৩’ বা ‘রকি অউর রানি’) পাশে থেকেছেন। ২০১৮ সালে বিয়ের পর থেকেই তিনি রণবীরের চড়াই-উতরাইয়ের সঙ্গী। ইন্ডাস্ট্রি যখন রণবীরকে পুরোপুরি গ্রহণ করেনি, দীপিকা তখনও তার সবচেয়ে বড় শক্তি ছিলেন।মজার বিষয় হলো, রণবীর সিং যখন দীপিকার কোনো প্রজেক্ট নিয়ে পোস্ট করেন না, তখন তাকে নিয়ে তেমন সমালোচনা হয় না।বলিউড মানেই চাকচিক্য আর প্রচার। কিন্তু ডিজিটাল এই যুগে আমরা হয়তো ভুলে যাচ্ছি যে, সাফল্যের উদ্যাপন ব্যক্তিগতভাবেও হতে পারে। এক টেবিলে বসে খাবার খাওয়া বা ফোনে অভিনন্দন জানানোটাও ভালোবাসার অংশ হতে পারে। দীপিকা ও রণবীরের দাম্পত্য জীবন তাদের ব্যক্তিগত বিষয়, এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘লাইক’ না দেওয়া মানেই সম্পর্কে ফাটল নয়—বরং এটি হতে পারে সুস্থ ব্যক্তিগত জীবনেরই প্রতিফলন।আরএ
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
