ঈদুল ফিতরের দিন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানবাহন চলাচল তুুলনামূলক কম থাকলেও একদিন পরই বেড়েছে ব্যস্ততা। যানবাহনের অবিরাম চলাচল আর হর্নের শব্দে আবারও প্রাণ ফিরে পেয়েছে মহাসড়ক।রবিবার (২২ মার্চ) মহাসড়কের মিরসরাই অংশ ঘুরে দেখা গেছে, বাস, মিনিবাস, সিএনজি ও অটোরিকশাসহ দূরপাল্লা এবং আঞ্চলিক বিভিন্ন যানবাহনের চাপ ছিল চোখে পড়ার মতো। ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে মানুষ ছুটে যাচ্ছেন আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের বাড়িতে। চারদিকে উৎসবের আমেজ পোলাও, কোরমা আর সেমাইয়ের সুবাসে মুখরিত পরিবেশ।তবে এই আনন্দযাত্রার মাঝেই ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। বিশেষ করে মিরসরাই অংশে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। যেখানে ১০ টাকার ভাড়া, সেখানে গুণতে হচ্ছে ২০ টাকা, আবার কোথাও এর চেয়েও বেশি নেওয়া হচ্ছে।স্থানীয় যাত্রী মো. রাশেদ বলেন, “ঈদের কারণে মানুষের যাতায়াত বেশি, সেটা ঠিক আছে। কিন্তু তাই বলে ভাড়া দ্বিগুণ নেওয়া অন্যায়। আমরা বাধ্য হয়েই বেশি ভাড়া দিচ্ছি।”আরেক যাত্রী নাজমা আক্তার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “স্বাভাবিক সময়ে যে ভাড়া ১০ টাকা, আজ সেটা ২০ টাকা নিচ্ছে।অভিযোগের বিষয়ে এক সিএনজি চালক মো. কামাল বলেন, “ঈদের সময় যাত্রীর চাপ বেশি থাকে, তাই ঈদ বোনাস হিসেবে কিছু ভাড়া বেশি নেয়া হয়।”এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ হাইওয়ে থানার এসআই আসাদ বলেন, “ঈদে যাতে যাত্রীরা নির্বঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন, সেজন্য আমাদের পর্যাপ্ত টহল কার্যক্রম জোরদার রয়েছে। এছাড়াও যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে নির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”এরআগে শনিবার (২১ মার্চ) পালিত হয়েছে পবিত্র ঈদুর ফিতর। মানুষ তার আনন্দ ভাগাভাগি করছে একে অন্যের সাথে। তাই ছুটে চলছে একে অন্যের বাড়ি।এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
