স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, কক্সবাজার সৈকত দখল করে গড়ে ওঠা বালিয়াড়িতে কোনো স্থাপনা থাকবে না। ইতোমধ্যে ভাসমান দোকানসহ বিভিন্ন স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সৈকতের নাজিরারটেক থেকে টেকনাফ পর্যন্ত এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। রোববার (২২ মার্চ) বিকেলে ঢাকায় ফেরার আগে সুগন্ধা পয়েন্ট এলাকায় উচ্ছেদ করা অবৈধ স্থাপনার স্থান পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় উচ্ছেদ-পরবর্তী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং স্থানীয় প্রশাসন ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন।তিনি আরও বলেন, পাশাপাশি যারা প্রকৃত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাদেরকে পুনর্বাসন করা হবে।এর আগে গত ৯ মার্চ কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এক সপ্তাহের মধ্যে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়িতে ভাসমান অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এর প্রেক্ষিতে সৈকতের সুগন্ধা ও কলাতলীতে অভিযান চালিয়ে ৫ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে প্রশাসন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সমুদ্র সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষায় বালিয়াড়ির ওপর কোনো ধরনের স্থাপনা রাখা যাবে না। সৈকতের বালিয়াড়ি দখলমুক্ত রাখতে হবে এবং এটিকে সম্পূর্ণভাবে স্থাপনামুক্ত রাখতে হবে।পরিদর্শনের সময় উচ্ছেদ অভিযানে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা পুনর্বাসনের দাবি জানান। তবে মন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, সৈকতের প্রাকৃতিক পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতে সরকার বালিয়াড়িকে স্থাপনামুক্ত রাখার সিদ্ধান্তে অনড়।আরএ
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
