পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার নরসুন্দরদের ব্যস্ততা এখন তুঙ্গে। ঈদে কেনাকাটার পাশাপাশি সাজগোজও অন্যতম। তাই চুল দাড়ি কেটে নিজেকে পরিপাটি করার এখনই সময়। ছেলে-বুড়ো সবাই চুল-দাঁড়ি কাটার প্রয়োজনে নরসুন্দরদের কাছে আর তরুণীরা যাচ্ছেন বিউটি পার্লারে।ঈদ ঘনিয়ে আসায় ভাঙ্গুড়া উপজেলার প্রায় সব সেলুন ও বিউটি পার্লারে সব বয়সীদের উপচেপড়া ভিড় বাড়ছে। মানুষের চাপে সেলুনগুলোতে অপেক্ষা করতে হচ্ছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। দম ফেলারও যেন ফুসরত নেই কারিগরদের। শেষ সময়ে নিজেদের মনের মতো করে সাজাতে পার্লারে ছুটছেন নারীরা। বেশিরভাগ নারীই করছেন ভ্রু প্ল্যাক, হেয়ার রিবন্ডিং ও ফেসিয়াল।বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সরেজমিনে ভাঙ্গুড়া উপজেলার বিভিন্ন সেলুন-বিউটি পার্লার ঘুরে দেখা গেছে, লম্বা লাইনে অপেক্ষায় আছেন সেবা প্রত্যাশীরা। শেষ মুহূর্তে নিজেকে আকর্ষণীয় করতে তরুণ-যুবকরা ভিড় জমাচ্ছেন, বাদ যাচ্ছেন না বয়স্করাও। নরসুন্দরের দোকানগুলোতে কর্মব্যস্ততা থাকায় কথা বলার মতো ফুসরত তাদের নেই। জানা যায়, ঈদ বা উৎসবের আগে চুল কাটার নরসুন্দরদের দম ফেলার ফুরসত থাকে না। সাধারণত উৎসবের আগের দিনগুলোতে মানুষ নতুন রূপে সাজতে চুল কাটা, শেভ করাসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে ভিড় করেন। এ ব্যস্ত সময়ে নরসুন্দররা বিরতিহীন কাজ করে থাকেন। এটি বছরের এমন এক সময় যখন তাদের আয়ের অন্যতম বড় সুযোগ হয়ে উঠে।ভাঙ্গুড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার নরসুন্দরদের সাথে কথা হয় সময়ের কণ্ঠস্বরের তারা জানান, কোনো সেলুনেই চেয়ার খালি নেই। ঈদ মৌসুমে বাড়তি গ্রাহকের চাপ সামাল দিতে সেলুন মালিকরা বাড়তি কারিগর নিয়োগ করেছেন। চুল কাটা, বডি ম্যাসাজ, বিভিন্ন ধরনের ফেসিয়াল, দাড়ির বিভিন্ন কাটের পাশাপাশি অনেকেই আবার সাদা চুল কালারও করছেন। বিনিময়ে নির্ধারিত সেবামূল্যের পাশাপাশি গ্রাহকরা নরসুন্দরদের ঈদ বকশিশ দিচ্ছেন।পিএম
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
