ঈদকে সামনে রেখে ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কের গাজীপুরের কালিয়াকৈন উপজেলার চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় যাত্রীদের চাপ বেড়েছে। তবে বাস ভাড়া তুলনামূলক বেশি হওয়ায় অনেক যাত্রী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সিএনজি, অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ও ট্রাকে করে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন।বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে ১৯ মার্চ সরেজমিনে দেখা যায়, চন্দ্রা ত্রিমোড় বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। ভাড়া বেশি হওয়ায় অনেকেই বাধ্য হয়ে বিকল্প যানবাহন বেছে নিচ্ছেন। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়লেও দ্রুত ও তুলনামূলক কম খরচে গন্তব্যে পৌঁছানোর আশায় তারা এসব যান ব্যবহার করছেন।চন্দ্রা ত্রিমোড়ের কালামপুর সোহাগ পল্লী রোড় সড়কের মাথায় অবস্থানরত সিএনজি চালকরা বলেন, “আমাদের গাড়ি ভালোই চলছে। ভাড়া একটু বেশি হলেও আমরা দ্রুত যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দিচ্ছি।”বাস চালক কালাম জানান, “জ্বালানি তেলের দাম ও সড়ক খরচ বেড়ে যাওয়ায় ভাড়া কিছুটা বাড়াতে হয়েছে।”অন্যদিকে ট্রাক চালক আলাল বলেন, “আমরা যাত্রী নিতে চাইনি। কিন্তু যানজটের কারণে গাড়ি থামালে যাত্রীরা জোর করে উঠে পড়েন।”মোটরসাইকেল চালক হেলাল বলেন, “মহাসড়কে তীব্র যানজট থাকায় আমরা বিকল্প শাখা সড়ক ব্যবহার করছি।”নাওজোড় হাইওয়ে থানার ওসি সাওগাত আলম বলেন, “আমরা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছি। তারপরও কিছু যাত্রী কম খরচে যাওয়ার জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রাকে উঠছেন, যা খুবই উদ্বেগজনক।”এদিকে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে প্রশাসনের তদারকি আরও জোরদার করা জরুরি।এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
