ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশের ৯৯ শতাংশ পোশাক শ্রমিকদের বেতন-ভাতা ও উৎসব বোনাস পরিশোধ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন পরিশোধ করেছে ৯৯ দশমিক ৯১ শতাংশ কারখানা এবং ঈদ বোনাস দিয়েছে ৯৯ দশমিক ৮১ শতাংশ কারখানা। অবশিষ্ট কয়েকটি কারখানায় বেতন ও বোনাস প্রদানের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।বুধবার (১৮ মার্চ) রাজধানীর উত্তরার বিজিএমইএ ভবনে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সংগঠনটির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান এসব তথ্য জানান।তিনি বলেন, মহাসড়কে চাপ কমাতে এলাকাভিত্তিক ধাপে ধাপে ছুটি দেওয়া হচ্ছে। ১৭ মার্চ পর্যন্ত ৫০ শতাংশ কারখানায় ছুটি হয়েছে। আজ ও আগামীকালের মধ্যে বাকি কারখানাগুলো ছুটি দেবে।মাহমুদ হাসান খান বলেন, বিজিএমইএর সদস্যরা বরাবরই শ্রমিক ভাই-বোনদের প্রতি দায়বদ্ধ। আর তাই, ঋণের চাপ থাকা সত্ত্বেও এবং অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তিগতভাবে তহবিল সংগ্রহ করে উদ্যোক্তারা শ্রমিকদের বেতন-ভাতা ও ঈদ বোনাস পরিশোধ করেছেন। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা এবং বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী কিছু সংখ্যক কারখানায় বড় ধরনের আর্থিক সংকট ছিল। আমরা সংগঠনের পক্ষ থেকে মালিক, ব্যাংক এবং শ্রমিক ফেডারেশনগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে সেই কারখানাগুলোর বেতন-ভাতা পরিশোধ নিশ্চিত করেছি। আজ অত্যন্ত স্বস্তির সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমাদের জানামতে বিজিএমইএর তালিকাভুক্ত এমন কোনো কারখানা নেই, যেখানে শ্রমিকদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন নিয়ে অমীমাংসিত কোনো সমস্যা রয়েছে।বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, আমরা অত্যন্ত গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি বর্তমান ব্যবসাবান্ধব ও শ্রমিকবান্ধব সরকারের বিশেষ নির্দেশনার কথা। সরকারের সময়োচিত হস্তক্ষেপে শ্রমিকদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন পরিশোধের জন্য সহজ শর্তে বিশেষ ঋণ সুবিধা প্রদান এবং দ্রুততম সময়ে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকার নগদ সহায়তা ছাড় করা হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলো আমাদের উদ্যোক্তাদের তীব্র তারল্য সংকট লাঘবে এবং শিল্পের চাকা সচল রাখতে অত্যন্ত কার্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।এজন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের সচিবকে ধন্যবাদ জানান।এসকে/আরআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
