নিরাপদ ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে চাঁদপুর লঞ্চ টার্মিনালে বিআইডব্লিউটিএ, জেলা প্রশাসন, কোস্ট গার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের সমন্বয়ে একটি যৌথ কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। তবে প্রশাসনের এতসব উদ্যোগের পরও ঘাট এলাকায় সিএনজি ও অটোরিকশা চালকদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও যাত্রী হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।সরকারের পক্ষ থেকে ঈদযাত্রায় ভাড়া না বাড়ানোর কঠোর নির্দেশনা থাকলেও চাঁদপুর লঞ্চঘাটে তার ব্যতিক্রম দেখা গেছে। বুধবার (১৮ মার্চ) সকাল থেকে ঢাকা থেকে আসা লঞ্চযাত্রীরা ঘাটে নেমেই ভোগান্তিতে পড়ছেন। বেশ কয়েকজন যাত্রীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সিএনজি ও অটোরিকশায় যেখানে নিয়মিত ভাড়া ১২০ টাকা, সেখানে নেওয়া হচ্ছে ২০০ টাকা; আবার ২০০ টাকার ভাড়া আদায় করা হচ্ছে ৫০০ টাকা পর্যন্ত। বিশেষ করে সিএনজি স্ট্যান্ডে সক্রিয় সিন্ডিকেটের কারণে সাধারণ মানুষের স্বস্তির ঈদযাত্রা অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতায় পরিণত হচ্ছে।ঘাট এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন, সিসি ক্যামেরা স্থাপন এবং প্রতিটি লঞ্চে চারজন করে আনসার সদস্য নিয়োগসহ নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিআইডব্লিউটিএ-এর উপ-পরিচালক বাবু লাল বৌদ্ধ জানান, বুধবার সকাল থেকে বড় লঞ্চগুলোর চলাচল শুরু হয়েছে। ঈদ উপলক্ষে ঢাকা-চাঁদপুর নৌ-পথে প্রায় অর্ধশত ছোট-বড় লঞ্চ চলাচল করবে। যাত্রীচাপ সামলাতে অতিরিক্ত আরও ছয়টি লঞ্চ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।এ বিষয়ে চাঁদপুর সদর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম ইকবাল হোসেন জানান, নৌ-পথে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন নিরাপদ রাখতে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে নৌ-পুলিশ সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। যাত্রী হয়রানি বন্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
