পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে মুন্সিগঞ্জের পদ্মা সেতু দিয়ে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ভোর থেকে সেতুর উত্তর প্রান্তে মাওয়া টোলপ্লাজা এলাকায় যানবাহনের চাপ বাড়লেও কোথাও উল্লেখযোগ্য ভোগান্তি বা যানজট দেখা যায়নি।সকাল ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে টোলপ্লাজায় যাত্রী ও যানবাহনের উপস্থিতি বাড়তে দেখা যায়। বিশেষ করে যাত্রীবাহী বাস ও মোটরসাইকেলের সংখ্যা ছিল বেশি। অনেকেই স্বল্প সময় অপেক্ষা করে, আবার কেউ অপেক্ষা ছাড়াই টোল পরিশোধ করে সেতু পার হয়েছেন।যাত্রীরা জানান, পদ্মা সেতু চালুর আগে ঈদে বাড়ি ফেরার সময় শিমুলিয়া ফেরিঘাটে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতো। সেতু চালুর পর সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমেছে।ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে পটুয়াখালীগামী যাত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, যাত্রাপথে কোথাও যানজটে পড়তে হয়নি। পদ্মা সেতুতেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় স্বস্তিতে আছেন।মোটরসাইকেলে বরিশাল যাচ্ছিলেন শরীফুল ইসলাম। তিনি বলেন, টোলপ্লাজায় কিছুটা চাপ থাকলেও কয়েক মিনিটের মধ্যেই টোল দিয়ে সেতু পার হওয়া গেছে।মাওয়া ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক জিয়াউল হায়দার জানান, ঈদ উপলক্ষে যানবাহনের চাপ বাড়ার আশঙ্কা থাকলেও এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।সেতু বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ৮ ঘণ্টায় পদ্মা সেতু দিয়ে ৯ হাজার ৫৯৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ সময়ে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৬৮ লাখ টাকার বেশি।সেতুর সহকারী প্রকৌশলী মো. নাবিল হোসেন জানান, ঈদকে সামনে রেখে টোল আদায় কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে এবং মোটরসাইকেলের জন্য অতিরিক্ত বুথ চালু করা হয়েছে। বর্তমানে ১০টি বুথ দিয়ে টোল আদায় চলছে।তিনি আরও বলেন, যানবাহনের চাপ থাকলেও ৫ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যেই টোল পরিশোধ করে যাত্রীরা গন্তব্যে যেতে পারছেন। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত ব্যবস্থাপনায় যাত্রীদের নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করা হচ্ছে।ইখা
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
