২০২৫ সালের শেষ মুহূর্তে নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে গুগল প্রকাশ করেছে বিশেষ ডুডল। পুরোনো সব জীর্ণতাকে দূরে ঠেলে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল ডুডলেও উদয় হয়েছে ইংরেজি নববর্ষের নতুন সূর্য। গুগলের হোমপেজে দেখা গেছে রঙিন ও প্রাণবন্ত এক কাউন্টডাউন অ্যানিমেশন, যা ব্যবহারকারীদের মাঝে উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে দিয়েছে। ডিজিটাল এই আয়োজনের মাধ্যমে ২০২৬ সালের আগমনের প্রস্তুতিতে যুক্ত হয়েছেন বিশ্বের নানা প্রান্তের মানুষ।ডুডলটিতে ছিল ঝরে পড়া কনফেটি, উড়ন্ত বেলুন এবং মধ্যরাতের দিকে এগিয়ে চলা এক অ্যানিমেটেড ঘড়ি। সময় যত এগিয়েছে, ততই বেড়েছে উদযাপনের উত্তেজনা। গুগলের হোমপেজ পুরোপুরি ভার্চুয়াল উৎসবমঞ্চে পরিণত হয়, যেখানে ব্যবহারকারীরা ঘরে বসে নতুন বছরের আগমনের আনন্দ অনুভব করেছেন।৩১ ডিসেম্বরের উৎসবমুখর পরিবেশ প্রতিফলিত করতে ডুডলটি তৈরি করা হয়েছে। এতে আনন্দ, নবযাত্রা এবং একতার বার্তা তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষ করে নতুন বছরের প্রস্তুতিতে মানুষকে অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহিত করাই মূল লক্ষ্য ছিল। ডিজিটাল যুগে উদযাপনের ধরন যে বদলে যাচ্ছে, সেই বিষয়টিও এই ডুডল তুলে ধরে।আতশবাজি বা পার্টির মতো প্রচলিত উদযাপনের পাশাপাশি এখন অনলাইনে ইন্টারঅ্যাক্টিভ অভিজ্ঞতাও মানুষের আনন্দের অংশ হয়ে উঠেছে। গুগলের ডুডল সেই পরিবর্তিত বাস্তবতাকে তুলে ধরেছে। এতে ব্যবহারকারীরা একসাথে নতুন বছরের আগমনের উত্তেজনা ভাগাভাগি করতে পেরেছেন।গুগল ডুডলের যাত্রা শুরু হয়েছিল তুলনামূলকভাবে সাধারণভাবে। প্রথম ডুডল ছিল একটি ছোট বার্তা, যা জানিয়ে দিত গুগলের প্রতিষ্ঠাতারা অফিসের বাইরে রয়েছেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি বদলে গিয়েছিল। গত পঁচিশ বছরে ডুডল হয়ে উঠেছে সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনের একটি বৈশ্বিক মাধ্যম।বর্তমানে গুগল ডুডলে স্থান পায় বিখ্যাত ব্যক্তি, গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য। শিল্পী, বিজ্ঞানী এবং চিন্তাবিদদের জন্মদিনও উদযাপন করা হয়। কিছু ডুডল শুধুমাত্র নির্দিষ্ট দেশের জন্য তৈরি হয়, আবার অনেক ডুডল বিশ্বব্যাপী প্রদর্শিত হয়।নতুন বছরের আগের রাতের এই বিশেষ ডুডলের মাধ্যমে গুগল দেখিয়ে দিয়েছে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম শুধুমাত্র তথ্য খোঁজার জায়গা নয়, বরং আনন্দ ও উদযাপনেরও গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।এইচএ
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
