জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি’র রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলার সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে শহরের কুমার সমিত রায় জিমনেশিয়ামে এই সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর ১২ টা ৩০ মিনিটে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত গাওয়ার মধ্য দিয়ে এই সভা শুরু হয়।এনসিপি রাঙামাটি জেলার প্রধান সমন্বয়কারী বিপিন জ্যোতি চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলটির দক্ষিনাঞ্চলের কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ।সভায় অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মূখ্য সংগঠক জুবাইরুল হাসান আরিফ, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এ এস এম সুজাউদ্দিন, পার্বত্য অঞ্চল তত্ত্বাবধায়ক ইমন ছৈয়দ, শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক কলিন চাকমা, বান্দরবানের প্রধান সমন্বয়কারী শহিদুর রহমান সোহেল, খাগড়াছড়ির প্রধান সমন্বয়কারী এডভোকেট মনজিলা ঝুমা প্রমূখ।প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মিডিয়া এবং প্রশাসনকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে হবে, বিশেষ করে যারা আম্পায়ারের ভূমিকা পালন করবে তাদেরকে অবশ্যই নিরপেক্ষ হতে হবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘পুলিশ ভাইদের কাছে আমাদের প্রত্যাশা অনেক, আপনারা কোন দলের প্রতি আনুগত্য দেখিয়ে তাদের পক্ষে কাজ করবেন না। যদি কাজ করেন তবে আপনাদেরকে ডিবি হারুন, বেনজির আহমেদ, এবং বিপ্লবের কথা মনে করিয়ে দিতে চাই।’এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘বিগত সরকারের আমলে আমরা দেখেছি রাজনৈতিক দল প্রশাসনকে তাদের রাজনৈতিক হাতিয়ার বানিয়েছে। আমরা চাইনা নতুন বাংলাদেশের কেউ ডিবি হারুন কিংবা বেনজির হয়ে উঠুক! দিনশেষে আমরা জনতার রায় কে মেনে নেব, কিন্তু জনগণকে আপনারা সুষ্ঠুভাবে ভোট দেওয়ার জন্য সহযোগিতা করুন।’সমন্বয় সভায় তিন পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবানের এনসিপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। সভায় আগত নেতাকর্মীরা তাদের সীমাবদ্ধতা, চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। এসএম
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
