সরকার থেকে অনুমতি না পাওয়ায় আপাতত বাংলাদেশে আসছেন না প্রখ্যাত ইসলামী বক্তা ও ধর্ম প্রচারক ডা. জাকির নায়েক।বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছে তাকে বাংলাদেশে আসার জন্য আয়োজন করা স্পার্ক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কর্তৃপক্ষ।সংবাদ সম্মেলনে স্পার্ক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, আমরা গত ৪-৫ বছর ধরে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামি চিন্তাবিদ ডা. জাকির নায়েককে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছি। বহু চেষ্টার পর ২০২৫ সালের ৩১ জুলাই ডা. নায়েক নিজের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সফর ও লেকচার প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের বিষয়ে লিখিত সম্মতি দেন।এতে আরও বলা হয়, ‘এরপর আমরা বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরসমূহে প্রয়োজনীয় অনুমতির জন্য আনুষ্ঠানিক আবেদন করি। অনুমোদন পাওয়ার পর আমরা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করি। এর মধ্যে পাঁচ তারকা হোটেল, ভেন্যু, লজিস্টিকস, মার্কেটিং, প্রোডাকশনসহ অন্যান্য অপরিহার্য খাতে কোটি কোটি টাকা ব্যয় হয়ে গিয়েছে।’সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, হঠাৎ করেই গত ৪ নভেম্বর কিছু সংবাদে দেখা যায়, বিশ্ববিখ্যাত ইসলামি বক্তা ডা. জাকির নায়েকের বাংলাদেশ সফরের অনুমতি আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমরা এই সংবাদে গভীরভাবে বিস্মিত ও উদ্বিগ্ন। সরকারি অনুমোদন ও নির্দেশনার ভিত্তিতে আমরা ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি এবং বিপুল আর্থিক বিনিয়োগ করেছি। আমরা আশা করি, সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরসমূহ বিষয়টি নির্বাচন পরবর্তীতে অনুমোদন প্রদান করবেন এবং স্পার্ক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ডা. জাকির নায়েকের সম্মতিক্রমে পরবর্তী তারিখ ঘোষণা করবে।উল্লেখ্য, এর আগে চলতি নভেম্বরের ২৮ ও ২৯ তারিখ ডা. জাকির নায়েকের বাংলাদেশে আসার কথা ছিল। তবে বাংলাদেশে তার আগমনকে ঘিরে নাখোশ ছিল ভারত।বিষয়টি নিয়ে ৩০ অক্টোবর এক সংবাদ সম্মেলনে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রনধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘জাকির নায়েক একজন পলাতক আসামি। তিনি ভারতে ওয়ান্টেড। তাই আমরা আশা করি, তিনি যেখানেই যান না কেন, সংশ্লিষ্ট দেশ তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে এবং আমাদের নিরাপত্তা উদ্বেগের বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখবে।’এইচএ
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
