পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া থেকে টানা তিন দিন ধরে দেখা মিলেছে পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার। এই পর্বত এক পলক দেখতে প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটক ভীড় করেন এই উপজেলায়।প্রতিবছর শীত মৌসুমে রূপ-লাবণ্যে বৈচিত্র্যময় হয়ে ওঠা কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে পর্যটকরা ছুটেন ভারতের সিকিমে নয়তো নেপালের তাপ্লেজুংয়ে। সীমান্ত পার না হতে চাইলে রয়েছে বাংলাদেশের উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া। যদিও ভারত কিংবা নেপালে পাসপোর্ট ভিসা ছাড়া ভ্রমণের সুযোগ নেই। কিন্তু বাংলাদেশের গন্ডি না পেরিয়ে তেঁতুলিয়া থেকে পাসপোর্ট-ভিসা ছাড়াই দেখা মিলে অপরুপ পর্বত কাঞ্চনজঙ্ঘার।শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ৬ টা থেকেই দেখা মিলেছে হিমালয়ের পর্বত কাঞ্চনজঙ্ঘার। তেঁতুলিয়া পিকনিক কর্ণারে গিয়ে দেখা যায় শত শত মানুষ এ পর্বত একটি পলক দেখার জন্য অপেক্ষা করছেন।পর্যটকদের কারও কারও কাছে এই লোভনীয় দৃশ্য যেন অভাবনীয়। আবার কারও জন্য আক্ষেপ আর অপেক্ষার অবসানও বটে। কারণ কাঞ্চনজঙ্ঘা সব সময় দেখা দেয় না। তাইতো ভোরের সূর্য ওঠার আগেই ঘুম ভাঙে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার অপেক্ষায় থাকা পর্যটকদের। হিমালয় পর্বত কাঞ্চনজঙ্ঘা সাধারণত অক্টোবর ও নভেম্বর মাসেই বেশি দেখা যায়। সেই কারণে এই দুই মাস এই অঞ্চলে পর্যটকদের ভীড় বেশি থাকে।তেঁতুলিয়া আবাসিক হোটেলগুলো জানিয়েছে সরকারি ছুটির দিনগুলোতে পর্যটকরা আগে থেকেই রুম বুক করে রাখছে, বাকি দিনগুলোতে পর্যটকের চাপ কম।উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজ শাহিন খুসরু জানান, ‘তেঁতুলিয়ায় প্রচুর পর্যটক আসছে, পর্যটকরা বিশেষ করে তেঁতুলিয়ায় আসার ক্ষেত্রে যে চিন্তায় থাকে সেটি হলো আবাসন ব্যবস্থা, তা সমাধানে উপজেলা প্রশাসন হোটেল ম্যানেজমেন্ট নামে একটি ওয়েবসাইট চালু করেছে, যেখান থেকে সহজে পর্যটকরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী রুম বুক করতে পারবেন।’এসএম
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
