শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলাধীন পদ্মা ও মেঘনা নদী থেকে প্রায় দেড় লক্ষ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পদ্মার তীরবর্তী বিভিন্ন চরে অবৈধভাবে তৈরি করা আড়তগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দিনব্যাপি চলা এক অভিযানে এসব সামগ্রী ধ্বংস করা হয়। চাঁদপুর-শরীয়তপুর অঞ্চলের ২০ কিলোমিটার ইলিশের অভয়াশ্রমে চলা এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভেদরগঞ্জ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল ইমরান। এ সময় পদ্মা নদী থেকে দুই জেলেসহ প্রায় দেড় লক্ষ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। এছাড়াও পদ্মা তীরবর্তী মোল্লার বাজারের চরে অবৈধভবে গড়ে উঠা মৎস্য মহাজনদের ৭টি আড়ত ও ব্যবসায়ের সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়েছে।আব্দুল্লাহ আল ইমরান বলেন, ‘আমাদের অভিযানের মূল লক্ষ্য জাল পুড়ানো বা জাল জব্দ নয়, আমরা চাই মা ইলিশ সংরক্ষিত থাকুক। যাতে অন্যান্য সময়গুলোতে জেলেরা স্বাচ্ছন্দ্যে বাঁচতে পারে।’ তিনি আরো বলেন, ‘১৩ দিনে ৮ লক্ষ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ ও পোড়ানো হয়েছে। অসাধু আড়তদারদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছি। আজকে আমরা ৭টি আড়ত উচ্ছেদ ও মাছ বিক্রির সাথে সংশ্লিষ্ট সরঞ্জামসহ দেড় লক্ষ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ ও পুড়িয়ে দিয়েছি। আমাদের অভিযান চলমান থাকবে।’উল্লেখ্য, ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ শে অক্টোবর পর্যন্ত সকল প্রকার ইলিশ ধরা ও বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে সরকার। সেই বিধিনিষেধ অমান্য করে কিছু অসাধু আড়তদারের যোগসাজসে রাতদিন ইলিশ ধরায় লিপ্ত জেলেরা।এসএম
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
