দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ বিজয় থালাপতির চেন্নাইয়ের বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশ। বাড়ানো হয়েছে বিজয়ের তামিলনাডুর নীলঙ্করাই এলাকার বাড়ির নিরাপত্তা। এছাড়া সাদা পোশাকের পুলিশ সদস্যরাও তার বাড়ির দিকে নজর রাখছেন।ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বোমা মেরে বিজয়ের বাড়ি উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি আসে। এক ব্যক্তি ফোন করে চেন্নাই পুলিশকে ভয়ংকর কথাটি জানান। এরপরই পুলিশের একটি দল তার বাড়ির চারপাশে অবস্থান নেয়।পুলিশ জানায়, কন্যাকুমারী থেকে হুমকি দিয়ে ফোনটি আসে। পুলিশের ১০০ নম্বরে ফোন করে বলা হয়, ভবিষ্যতে আর কোনো দিন যদি বিজয় জনসভা করেন, তাহলে তার বাড়ি বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়া হবে। কারুরে পদপিষ্টের ঘটনা নিয়ে এখনও অস্বস্তি কাটেনি তামিলাগা ভেত্তরি কাজ়হাগামের। ৪১ জনের মৃত্যু হয় সেই দুর্ঘটনায়। তারই মধ্যে এ বার বিজয়ের বাড়িতে বোমা হামলার হুমকি এলো।ইতিমধ্যে পুলিশ বিজয়ের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে। সেখানে কোনো বিস্ফোরক বা সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি।এদিকে হুমকির ঘটনা তদন্তে পুলিশ কাজ করছে। কর্মকর্তারা বলেন, ফোনকারী ব্যক্তির লোকেশন ট্র্যাক করে তাকে আটকের চেষ্টা চলছে। তবে তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, এটি কোনো প্র্যাঙ্ক বা ভুয়া কল ছিল।সম্প্রতি তামিলনাড়ুর কারুরে সমাবেশে ৪১ জন নিহত হন। বিজয়ের রাজনৈতিক দল তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম (টিভিকে) এই ঘটনার পর বেশ চাপে পড়েছে। নিহতদের মধ্যে বহু নারী ও শিশু রয়েছেন।ওই দিনের সমাবেশে ৫১ বছর বয়সী বিজয় প্রায় ৭ ঘণ্টা দেরিতে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান। দুপুর থেকেই হাজার হাজার মানুষ সমাবেশে উপস্থিত হতে শুরু করেন। তার দেরি হওয়ায় ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি।স্থানীয় সূত্র জানায়, সমাবেশের জন্য বরাদ্দ ১০ হাজার জনের জায়গায় প্রায় ৩০ হাজার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। নিরাপত্তা নির্দেশিকা লঙ্ঘন করা হয় এবং পর্যাপ্ত খাবার, পানি ও জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা রাখা হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, এই সব কারণে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। সমাবেশ চলাকালীন অনেক মানুষ অজ্ঞান হলেও সেখানে অ্যাম্বুলেন্স প্রবেশ করতে পারেনি।এমআর-২
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
