নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকারের ঘটনায় বরগুনার তালতলী উপজেলা মৎস্য অফিসের মাঠ সহায়ক ও উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক মোঃ আবুল কাসেম রিঙ্কুর বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন।সোমবার (৬ অক্টোবর) রাতে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু জাফর মো. ইলিয়াসকে আহ্বায়ক করে গঠিত ওই কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল বাশার ও উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা সঞ্জিব চন্দ্র সাহা। তাঁদের স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের উপস্থিতিতে তদন্ত করে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা আমতলীর ইউএনও মো. রোকনুজ্জামান খান তদন্ত কমিটি গঠনের আদেশে স্বাক্ষর করেছেন।প্রসঙ্গত, উপজেলার সোনাকাটা গ্রামের বাসিন্দা উপজেলা মৎস্য অফিসের মাঠ সহায়ক, ছাত্রলীগ নেতা আবুল কাসেম রিঙ্কু ও তার বাবা উপজেলা আওয়ামীলীগ শ্রম বিষয়ক সম্পাদক জলিল ফকিরের দুটি ট্রলার সরকারী নির্শেনা অমান্য করে শুক্রবার (৩ অক্টোবর) রাতে ফকিরহাট মৎস্য অবতরন কেন্দ্র থেকে ইলিশ শিকারের উদ্দেশ্যে সমুদ্রে যায়। জেলেদের অভিযোগ, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইনের যোগসাজশে আওয়ামীলীগ নেতা জলিল ফকির ও তার ছেলে রিঙ্কু সাগরে ইলিশ মাছ শিকার করেছেন। রবিবার দিবাগত গভীর রাতে ইলিশ মাছ নিয়ে ওই ট্রলার দুটি ফকিরহাট ঘাটে আসে। পরে ট্রলারের লোকজন ইলিশ মাছ ড্রামে ও বস্তায় ভরে রিঙ্কুর মৎস্য আড়তে রাখেন। এরপর স্থানীয় জেলে আমির হোসেন ও রুবেল উপজেলা মৎস্য অফিসের মাঠ সহায়ক রিঙ্কুর আড়তে বস্তায় ভরে রাখা মাছ আটক করে। এসময় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইনের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও তার সাড়া মেলেনি। পরে রাতেই আড়ত থেকে ম্যানেজার আল আমিন, জলিল ফকির ও রিঙ্কু মাছ সরিয়ে ফেলে। খবর পেয়ে স্থানীয় জেলেরা ওই আড়তে এসে জড়ো হয়। এ ঘটনায় সময়ের কণ্ঠস্বরে ‘নিষেধাজ্ঞা ভেঙে মৎস্যকর্মী ও আ’লীগ নেতার ইলিশ শিকার’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর তদন্ত কমিটি গঠন করে উপজেলা প্রশাসন। এসএম
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
