বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নির্বাচনে জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটি থেকে কাউন্সিলর চেয়ে বোর্ড সভাপতির পাঠানো চিঠি নিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালত। একইসঙ্গে ১৫টি ক্লাবকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ওপর যে নিষেধাজ্ঞা ছিল, সেটিও স্থগিত করা হয়েছে। ফলে আগামীকাল (৬ অক্টোবর) অনুষ্ঠেয় বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে আর কোনো আইনি বাধা রইল না।রোববার (৫ অক্টোবর) বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের নেতৃত্বাধীন চেম্বার আদালত এই আদেশ দেন। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার আরশাদুর রউফ ও ব্যারিস্টার অনীক আর হক। বিসিবির পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মাহিন এম রহমান এবং রিটকারীদের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।হাইকোর্টের আগের আদেশ অনুযায়ী যে ১৫টি ক্লাব নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে সেগুলো হলো, এক্সিউম ক্রিকেটার্স, ঢাকা ক্রিকেট একাডেমি, মোহাম্মদপুর ক্রিকেট ক্লাব, নবাবগঞ্জ ক্রিকেট কোচিং একাডেমি, পূর্বাচল স্পোর্টিং ক্লাব, গুলশান ক্রিকেট ক্লাব, ভাইকিংস্ ক্রিকেট একাডেমি, ওল্ড ঢাকা ক্রিকেটার্স, বনানী ক্রিকেট ক্লাব, নাখালপাড়া ক্রিকেটার্স, মহাখালী ক্রিকেট একাডেমি, ধানমন্ডি ক্রিকেট ক্লাব, প্যাসিফিক ক্রিকেট ক্লাব, স্যাফায়ার স্পোর্টিং ক্লাব, আলফা স্পোর্টিং ক্লাব।এর আগে গত ২২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট একটি আদেশে বিসিবি সভাপতির পাঠানো চিঠির কার্যক্রম স্থগিত করে। এতে বলা হয়, জেলা ও বিভাগীয় অ্যাডহক কমিটি থেকে কাউন্সিলর চাওয়ার বিষয়টি কেন অবৈধ নয়, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়।মূলত ১৮ সেপ্টেম্বর বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল এক চিঠির মাধ্যমে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত গঠনতন্ত্র অনুসারে কাউন্সিলর মনোনয়নের জন্য জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলোর কাছে অনুরোধ জানান। পরবর্তীতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকেও একই নির্দেশনা দেওয়া হয়, বিশেষ করে গঠনতন্ত্রের ৯.১ (ক) ও (খ) ধারা অনুসরণ করে মনোনয়ন দিতে বলা হয়।এদিকে সরকারি হস্তক্ষেপ এবং নানা অনিয়মের অভিযোগ এনে অন্তত দেড় ডজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। ক্যাটাগরি-২ ঢাকার ক্লাব থেকে নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ১৫ জনের মতো প্রার্থী। এরপর তাদের পক্ষ থেকে নতুন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল—বর্তমান বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের মেয়াদ বাড়িয়ে সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হোক। অথবা অ্যাডহক কমিটির মাধ্যমে নতুন নির্বাচন দেওয়া হোক। প্রয়োজনে বর্তমান তপশিল বাতিল করে নতুন করে ঘোষণা করা হোক। কিন্তু একটা দাবির ব্যাপারেও কোনো মন্তব্য করেনি ক্রীড়া প্রশাসন।আরডি
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
