ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানির খবরে পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার বাজারে দাম কমতে শুরু করেছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার টানা ৬ দিনের ছুটি শেষে শনিবার (০৪ অক্টোবর) হিলি স্থলবন্দর দিয়ে শুরু হয় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম। নিত্যপ্রয়োজনীয় এই সবজিটির দাম কমায় স্বস্তি ফিরেছে ক্রেতাদের মধ্যে।গত একদিনের ব্যবধানে কাঁচা মরিচ প্রতি কেজিতে ১০০ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে। বাজার স্থিতিশীল রাখতে কাঁচা মরিচের সরবরাহ ঠিক থাকলে মূল্য আরও কমতে পারে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।রোববার (৫ অক্টোবর) সকালে উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে প্রতিটি দোকানেই আগের তুলনায় মরিচের সরবরাহ অনেক বেশি। সেইসঙ্গে আগের তুলনায় কমেছে দাম। একদিন আগে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা কমে ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।বাজারে সবজি কিনতে আসা ক্রেতারা জানান, একদিন আগেও প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ কিনতে হয়েছে ৩৫০ টাকায়। আজ আবার কেজিতে ১০০ টাকা কমে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে অনেকটাই স্বস্তি ফিরেছে। তবে কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা হলে সবার জন্যই স্বস্তিদায়ক হয়।ভাঙ্গুড়া উপজেলার সবজি বিক্রেতারা জানান, অতি বৃষ্টির জন্য এলাকার মরিচ গাছ মরে যাওয়ায় মরিচের উৎপাদন কম হওয়াসহ ভারতীয় কাঁচা মরিচের আমদানি না থাকায় দাম বেড়েছিল। এখন ভারতীয় কাঁচা মরিচের আমদানি হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত মরিচের আমদানি বেড়ে যাওয়ায় দাম কিছুটা কমে এসেছে। এ কারণে একদিনের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে ১০০ টাকা কমে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে। আমদানির গতি অব্যাহত থাকলে দাম আরও কমে আসবে এবং বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। কেউ অযাচিতভাবে কোনো পণ্যের দাম বৃদ্ধি করলে তার বিরুদ্ধে বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এসকে/আরআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
