সারাদেশে মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে ৩ অক্টোবর রাত ১২টা থেকে ২২ দিনের জন্য ইলিশ আহরণে নিষেধাজ্ঞা শুরু হতে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষ এই উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও, নিষেধাজ্ঞার ঠিক আগে চাঁদপুরের বাজারে ইলিশের দাম আকাশছোঁয়া হয়ে উঠেছে।বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সকাল থেকে চাঁদপুরের বড় স্টেশন মাছঘাট ও পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দূরদূরান্ত থেকে ইলিশ কিনতে আসা ক্রেতাদের মধ্যে অনেকেই অতিরিক্ত দাম দেওয়ার পরও খালি হাতে ফিরছেন। কেউ কেউ বেশি দামে কিনতেও বাধ্য হচ্ছেন।বর্তমানে ছোট সাইজের ইলিশ (প্রতি ২০০ গ্রাম) বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি। ৮০০–৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২,৪০০–২,৫০০ টাকায়। আর এক কেজি ২০০ গ্রাম থেকে ১.৫ কেজি পর্যন্ত ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩,৫০০–৪,০০০ টাকায়। মৎস্য ব্যবসায়ীরা বলছেন, নিষেধাজ্ঞার আগে ক্রেতাদের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দাম লাগামহীন হয়ে গেছে। অন্যদিকে জেলেরা জানান, নদীতে বড় ইলিশ কম ধরা পড়ায় সরবরাহও কম।চাঁদপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, মাত্র দুই বছরের ব্যবধানে বড় ইলিশের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। ২০২৩ সালে যেখানে এক কেজি বড় ইলিশ বিক্রি হতো ১,৩০০ টাকায়, বর্তমানে সেই মাছের দাম দাঁড়িয়েছে ২,৫০০–২,৬০০ টাকা।এদিকে দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেকেই অভিযোগ করেছেন, আকাশছোঁয়া দামের কারণে এখন আর মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে ইলিশ কেনা সম্ভব হচ্ছে না।সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, ৩ অক্টোবর রাত থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত পদ্মা-মেঘনায় ইলিশ ধরা, পরিবহন, মজুদ ও বাজারজাতকরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। ক্রেতারা আশা করছেন, ইলিশের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার আরও কঠোর ব্যবস্থা নেবে।এসকে/আরআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
