বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পেরিয়ে গেলেও শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) এখনও কোনো মনোরোগ চিকিৎসক (সাইকোলজিস্ট) বা কাউন্সিলিং সেন্টার নেই। দেশের কৃষি শিক্ষার অন্যতম এই শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানে এমন অত্যাবশ্যকীয় একটি সুবিধার অভাব থাকায় শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য এবং সার্বিক কল্যাণের বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ, হতাশা, এবং আত্মহত্যার প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় কাউন্সেলিং সার্ভিসের গুরুত্ব এখন অনস্বীকার্য। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) থেকেও শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে মনোবিজ্ঞানী নিয়োগের নির্দেশনা রয়েছে। তবুও শেকৃবিতে এই বিষয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, একাডেমিক চাপ, ক্যারিয়ার নিয়ে দুশ্চিন্তা, আবাসিক হল জীবনের নানা সমস্যা এবং ব্যক্তিগত উদ্বেগের কারণে তারা প্রায়শই মানসিক সমস্যার সম্মুখীন হন। এই পরিস্থিতিতে একজন পেশাদার মনোবিজ্ঞানীর পরামর্শ ও সহায়তা তাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থী জানান, ‘আমাদের বড় কোনো মানসিক সমস্যা হলে বাইরে থেকে চিকিৎসা নিতে হয়, যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে যদি একজন মনোবিজ্ঞানী থাকতেন, তাহলে আমরা সহজেই সাহায্য চাইতে পারতাম।’বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য প্রফেসর ড. বেলাল হোসেন বলেন, ‘আমাদের চাহিদার কথা জানিয়ে আমরা ইউজিসিতে চাহিদাপত্র পাঠিয়েছি। মনোবিজ্ঞানী নিয়োগের বিষয়টি কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় আছে এবং এ বিষয়ে প্রক্রিয়া শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে ঠিক কবে নাগাদ এই শূন্যতা পূরণ হবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ তারা জানাতে পারছি না।’এসএম
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
