মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার হরগজ শহিদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার ৪৫ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। সুমাইয়া আক্তারের পরিবার দিন গুনছে উদ্বেগ আর হতাশায় তাদের মেয়ে বেঁচে আছে না কি তা নিয়েও রয়েছে অনিশ্চয়তা। পুলিশ বলছে, উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত আছে।সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সাটুরিয়া ডাক বাংলায় মেয়ের সন্ধান চেয়ে উদ্বিগ্ন মা-বাবা সংবাদ সম্মেলন করেছেন। ১৫ বছর বয়সী নিখোঁজ মেয়ে বাবা মো: সিরাজুল ইসলাম, মা নিলুফা আক্তারসহ স্বজনেরা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মো: সিরাজুল ইসলাম। মেয়ের নিখোঁজের কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন মা নিলুফা আক্তার। নিখোঁজ সুমাইয়া আক্তারের বাড়ি মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার হরগজ খাশিরচর গ্রামে।সংবাদ সম্মেলনে সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমার মেয়ে ১৪ আগস্ট সকাল ১০ ঘটিকার সময় একাদশ শ্রেণীতে অনলাইনে ভর্তির আবেদনের জন্য উপজেলার হরগজ বাজারে যায়। তার পর থেকে সে আমাদের সঙ্গেও কোনো যোগাযোগ করেনি। আমি ও আমার স্ত্রী নিলুফা আক্তার আত্মীয়স্বজন ও মেয়ের বন্ধবীদের বাসায় খোঁজ করেছি। কোথাও মেয়ের খোঁজ পাইনি। এ ঘটনায় মেয়ে নিখোঁজের পর সাটুরিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছি। ঘটনার আজ ৪৫ দিন হয়ে গেল, এখনো তাঁর মেয়েকে খোঁজ মেলেনি। তাঁর মেয়ে কে ফিরে পেতে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।’ তিনি আরও দাবি করেন, ‘তদন্তকারী পুলিশ উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো: রায়হান বিভিন্ন সময়ে উদ্ধারের কথা বলে তার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা চেয়েছেন। এ পর্যন্ত তিনি ১৫ হাজার টাকা দিয়েছেন। বাকি টাকা না দেওয়ায় তদন্তে গড়িমসি করা হচ্ছে’ বলে তিনি অভিযোগ করেন।মেয়ের সন্ধান চেয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে নিলুফা আক্তার বলেন, ‘আজ ৪৫ দিন হয়ে গেল, আমার মেয়ের কোনো খোঁজ পেলাম না। সে কোথায়, কীভাবে আছে, জানি না। মেয়েকে ফিরে পেতে চাই।’সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: শাহিনুল ইসলাম বলেন, ‘নিখোঁজ ওই শিক্ষার্থীর সন্ধানে থানাগুলোতে বার্তা পাঠানো হয়েছে। পুলিশ মেয়েটির সন্ধানে কাজ করছে।’এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
