মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর রেলওয়ে স্টেশনে প্রথমবারের মত যাত্রীবাহী ট্রেন যাত্রাবিরতি শুরু করেছে। রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৩ টার দিকে রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা আন্ত:নগর মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনটি শ্রীনগর উপজেলার বেঁজগাঁও স্টেশনে যাত্রাবিরতি করে। এ সময় বিশেষ মুহূর্তের সাক্ষী ধরে রাখতে রেলওয়ে স্টেশন ও ট্রেন সংশ্লিষ্টজনদের ফুল দিয়ে বরণ করার পাশাপাশি মিষ্টি বিতরণ করেন স্থানীয়রা।এ সময় উপস্থিত ছিলেন মজিদপুর দয়হাটা কফিল উদ্দিন চৌধুরী, ইনস্টিটিউটের এডহক কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর খান, সিজুয়ে কিন্ডারগার্টেন এন্ড স্কুলের অধ্যক্ষ আব্দুল লতিফ, শ্রীনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি আরিফ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম শ্যামল, ব্যবসায়ী মো. রুবেল খানসহ শিক্ষক, গণমাধ্যম কর্মী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।শ্রীনগর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মো. হালিমুজ্জামান বলেন, এদিন রাজশাহী থেকে ছেড়ে মধুমতি এক্সপ্রেস দুপুর ১ টা ১৮ মিনিটে শ্রীনগর স্টেশনে যাত্রাবিরতির কথা ছিল। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে প্রায় ২ ঘন্টা বিলম্বে ট্রেনটি শ্রীনগর স্টেশনে যাত্রাবিরতি করে। কয়েক মিনিট বাদে ট্রেন যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে স্টেশন ছেড়ে যায়।এদিকে, শ্রীনগর রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেন যাত্রাবিরতির শুরুর মধ্যে দিয়ে এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের আশা-আকাঙ্খার পূরণ হয়েছে। এই সেবা চালুর কারণে এখান থেকে হাজার হাজার যাত্রী ট্রেনে ভ্রমণ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করতে পারবেন। এতে স্থানীয়দের মাঝে আনন্দ বিরাজ করছে।অন্যদিকে, পদ্মা সেতুর রেলওয়ে প্রকল্পের আওতায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা গুলোর সঙ্গে রেল যোগাযোগ নতুন দ্বার খুলতে মুন্সিগঞ্জের তিন উপজেলায় পৃথক তিন স্থানে নির্মিত হয়েছে রেলওয়ে স্টেশন। ২০২২ সালের ২৫ জুন পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করা হয়। পরের বছর তথা ২০২৩ সালের ১ নভেম্বর এ সেতুর উপর দিয়ে শুরু হয় ট্রেন চলাচল।এরপর থেকে ঢাকা-খুলনা ও ঢাকা-বেনাপোল রুটে প্রতিদিন ছয় জোড়া আন্ত:নগর ট্রেনসহ একাধিক ট্রেন নিয়মিত চলাচল করে আসছে। অথচ শত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত জেলার তিনটি রেলস্টেশনের মধ্যে দু’টিতে সীমিত আকারে ট্রেন যাত্রাবিরতি করে থাকে। এর মধ্যে জেলার লৌহজং উপজেলার মাওয়া রেলস্টেশনে শুধুমাত্র নকশীকাঁথা লোকাল ও রাজশাহী রুটের মধুমতি এক্সপ্রেস যাত্রাবিরতি করে আসছিল।এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
